প্রশ্নের বর্ণনা

a রিকসা, হারিকিরি
b ফুঙ্গি, লুঙ্গি
c চাকর, দারোগ
d খদ্দর, হরতাল
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) খদ্দর, হরতাল ১. কেন সঠিক: - খদ্দর এবং হরতাল শব্দ দুটি বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত বিদেশি শব্দসমূহের মধ্যে গুজরাটি ভাষা থেকে আগত শব্দ হিসেবে স্বীকৃত। - প্রমিত বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী বিভিন্ন ভাষা থেকে আগত শব্দের উৎসের ওপর ভিত্তি করে শব্দগুলোকে শ্রেণিবদ্ধ করা হয়, যার একটি অংশ হলো গুজরাটি শব্দ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত শব্দগুলোকে উৎসের দিক থেকে পাঁচটি ভাগে ভাগ করা হয়, যথা: তৎসম, অর্ধতৎসম, তদ্ভব, দেশি এবং বিদেশি শব্দ। - বিদেশি শব্দের মধ্যে আরবি, ফার্সি, ইংরেজি ছাড়াও পর্তুগিজ, ফরাসি, ওলন্দাজ, গুজরাটি, পাঞ্জাবি ও চীনা ভাষা থেকে কিছু শব্দ বাংলায় এসেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: খদ্দর ব্যাখ্যা: খদ্দর শব্দটি গুজরাটি ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে যার অর্থ খাদি বা মোটা সুতার বস্ত্র। উদাহরণ ২: হরতাল ব্যাখ্যা: হরতাল শব্দটি গুজরাটি ভাষা থেকে এসেছে এবং এর অর্থ কাজ কর্ম বন্ধ করে প্রতিবাদ জানানো। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রিকসা, হারিকিরি — রিকসা শব্দটি জাপানি ভাষা থেকে আগত শব্দ এবং হারিকিরিও একটি জাপানি শব্দ। B) ফুঙ্গি, লুঙ্গি — ফুঙ্গি শব্দটি বর্মি শব্দ এবং লুঙ্গি শব্দটি বার্মিজ বা বর্মি ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে। C) চাকর, দারোগ — চাকর শব্দটি তুর্কি শব্দ এবং দারোগা শব্দটি ফার্সি ভাষা থেকে আগত শব্দ। D) খদ্দর, হরতাল — এই অপশনটি সঠিক কারণ খদ্দর ও হরতাল উভয় শব্দই গুজরাটি ভাষা থেকে এসেছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - গুজরাটি শব্দ মনে রাখার সহজ কৌশল হলো খদ্দর পরে মহাত্মা গান্ধী গুজরাটে হরতালে অংশ নিয়েছিলেন। - এই একটি বাক্যের মাধ্যমে গুজরাটি ভাষার প্রধান দুটি শব্দ সহজে মনে রাখা সম্ভব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিভিন্ন ভাষা থেকে আসা বিদেশি শব্দ থেকে প্রায়শই প্রশ্ন হয়ে থাকে। - শব্দগুলোর উৎস মুখস্থ করার সময় আঞ্চলিক বা ভাষার মূল উৎস ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0