প্রশ্নের বর্ণনা

a কপাল
b চন্দ্র
c সমুদ্র
d খরগোশ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) চন্দ্র ১. কেন সঠিক: - শশাংক শব্দের আক্ষরিক অর্থ হলো চন্দ্র বা চাঁদ। সংস্কৃত ব্যাকরণ ও শব্দার্থ অনুযায়ী শশ শব্দের অর্থ খরগোশ এবং অংক শব্দের অর্থ কোল বা চিহ্ন, যার ফলে শশাংকে অর্থাৎ যার কোলে খরগোশের চিহ্ন বা দাগ আছে তাকে শশাংক বলা হয়। - পৌরাণিক বিশ্বাস ও সাহিত্যিক কল্পনায় চাঁদের গায়ে যে কালো দাগ দেখা যায়, তাকে খরগোশের আকৃতির সঙ্গে তুলনা করা হয় এবং এই কারণে চন্দ্রের অপর নাম শশাংক হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি শব্দের উৎস, অর্থ এবং প্রতিশব্দ বা সমার্থক শব্দ সংক্রান্ত একটি প্রশ্ন যা বাংলা ভাষার শব্দভাণ্ডার সমৃদ্ধ করতে ব্যবহৃত হয়। - প্রাচীন বাংলা ইতিহাসের সঙ্গেও শশাংক নামটি ওতপ্রোতভাবে জড়িত, যিনি বাংলার প্রথম স্বাধীন নরপতি ছিলেন এবং গৌড়ের রাজা হিসেবে পরিচিত লাভ করেছিলেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সুধাংশু ব্যাখ্যা: সুধাংশু শব্দের অর্থও চন্দ্র বা চাঁদ, যা শশাংক শব্দের একটি সুন্দর সমার্থক শব্দ। উদাহরণ ২: শশধর ব্যাখ্যা: শশধর শব্দের অর্থ চাঁদ, কারণ এটি শশ বা খরগোশ ধারণ করে আছে এমন অর্থ প্রকাশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কপাল — কপাল শব্দের সমার্থক শব্দ ললাট বা ভাল, যা চন্দ্র শব্দের অর্থের সঙ্গে কোনোভাবেই মেলে না। B) চন্দ্র — এটি সঠিক উত্তর। C) সমুদ্র — সমুদ্র শব্দের সমার্থক শব্দ পারাবার, অর্ণব বা রত্নাকর, যা শশাংক বা চাঁদের অর্থ প্রকাশ করে না। D) খরগোশ — যদিও শশ শব্দের অর্থ খরগোশ, কিন্তু শশাংক পুরো শব্দটির অর্থ আলাদাভাবে কেবল খরগোশ বোঝায় না বরং এটি সম্পূর্ণভাবে চাঁদকে নির্দেশ করে। ৫. মনে রাখার টিপস: - শশ মানে খরগোশ আর অংক মানে কোল, চাঁদের গায়ে খরগোশের মতো কোল বা চিহ্ন থাকে তাই শশাংক অর্থ চাঁদ। - চাঁদের অন্যান্য সমার্থক শব্দ যেমন শশধর, শশাংক, বিধু, সোম এগুলো একসঙ্গে পড়লে মনে রাখা সহজ হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দার্থ নির্ণয় এবং প্রতিশব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, তাই সমার্থক শব্দগুলো ভালোভাবে পড়তে হবে। - ঐতিহাসিক চরিত্র হিসেবে রাজা শশাংক এবং শব্দার্থ হিসেবে শশাংক শব্দের অর্থ দুটিই পরীক্ষার জন্য সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0