প্রশ্নের বর্ণনা

a হিন্দি
b তৎসম
c আরবি
d খাঁটি বাংলা
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) তৎসম ১. কেন সঠিক: সুকাজ শব্দটিতে ব্যবহৃত 'সু' একটি উপসর্গ যা তৎসম বা সংস্কৃত উপসর্গ হিসেবে বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত হয়েছে। এখানে 'সু' উপসর্গটি ভালো বা সুন্দর অর্থে 'কাজ' শব্দের পূর্বে যুক্ত হয়ে সুকাজ শব্দটি গঠন করেছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: যেসব শব্দ বা শব্দাংশ ধাতু বা শব্দের পূর্বে যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠন করে তাদের উপসর্গ বলে। বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত উপসর্গগুলোকে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা হয় যেমন তৎসম উপসর্গ, খাঁটি বাংলা উপসর্গ এবং বিদেশি উপসর্গ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সুদিন ব্যাখ্যা: এখানে তৎসম 'সু' উপসর্গটি ভালো বা অনুকূল অর্থে দিন শব্দের পূর্বে যুক্ত হয়েছে। উদাহরণ ২: সুখ্যাতি ব্যাখ্যা: এখানে তৎসম 'সু' উপসর্গটি ভালো বা উত্তম অর্থে খ্যাতি শব্দের পূর্বে যুক্ত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) হিন্দি — হিন্দি কোনো উপসর্গ বা উপসর্গর উৎস নয় যা বাংলা ব্যাকরণে বাংলা শব্দের পূর্বে সু উপসর্গ তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। B) তৎসম — এই অপশনটি সঠিক কারণ 'সু' একটি সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ যা বাংলা ভাষায় সমানভাবে প্রচলিত। C) আরবি — আরবি ভাষা থেকে আগত শব্দে সু উপসর্গ ব্যবহৃত হয় না বরং আরবি উপসর্গ ভিন্ন প্রকৃতির হয়ে থাকে। D) খাঁটি বাংলা — 'সু' উপসর্গটি খাঁটি বাংলা উপসর্গ নয় কারণ খাঁটি বাংলা উপসর্গ কু এবং অঘা ইত্যাদি। ৫. মনে রাখার টিপস: সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ মোট কুড়িটি যার মধ্যে সু একটি অন্যতম প্রধান উপসর্গ। ভালো বা উত্তম অর্থে শব্দের শুরুতে সু দেখলে তা সাধারণত তৎসম উপসর্গ হিসেবে ধরে নিতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই উপসর্গ থেকে প্রশ্ন আসে তাই কু, নি, বি, সু ইত্যাদি উপসর্গগুলোর উৎস ও অর্থ ভালোভাবে মনে রাখতে হবে। শব্দের উৎস নির্ণয়ের সময় মূল শব্দ এবং উপসর্গের ভাষাভিত্তিক ব্যাকরণিক রূপ খেয়াল করতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0