প্রশ্নের বর্ণনা

a কবি আতাউর রহমান
b কবি বেনজীর আহমেদ
c মাহমুদ নূরুল হুদা
d খান মুহাম্মদ মঈন উদ্দীন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) খান মুহাম্মদ মঈন উদ্দীন ১. কেন সঠিক: - 'যুগস্রষ্টা নজরুল' গ্রন্থটি বিখ্যাত সাহিত্যিক ও সাংবাদিক খান মুহাম্মদ মঈন উদ্দীন রচিত একটি প্রখ্যাত জীবনীগ্রন্থ। - এই গ্রন্থে বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের জীবন, কর্ম এবং বাংলা সাহিত্যে তাঁর যুগান্তকারী অবদান ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - খান মুহাম্মদ মঈন উদ্দীন ছিলেন একজন প্রখ্যাত শিশুসাহিত্যিক, সাংবাদিক ও জীবনীকার যিনি মূলত কিশোর উপযোগী জীবনী ও সাহিত্য রচনা করে খ্যাতি অর্জন করেছিলেন। - জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের জীবন ও সাহিত্যকর্মভিত্তিক আলোচনার জন্য তাঁর এই গ্রন্থটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কাজী নজরুল ইসলাম রচিত 'সঞ্চিতা' একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ। ব্যাখ্যা: এটি কবির বিভিন্ন কাব্য থেকে সংকলিত শ্রেষ্ঠ কবিতাগুলোর একটি সংকলন। উদাহরণ ২: খান মুহাম্মদ মঈন উদ্দীন রচিত 'মরুভাস্কর' একটি বিখ্যাত জীবনীগ্রন্থ। ব্যাখ্যা: এই গ্রন্থটিতে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) এর জীবন ও জীবনী সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কবি আতাউর রহমান — এই অপশনটি ভুল কারণ তিনি 'যুগস্রষ্টা নজরুল' গ্রন্থটির রচয়িতা নন। B) কবি বেনজীর আহমেদ — এই অপশনটি ভুল কারণ তিনি নজরুলকে নিয়ে এই নির্দিষ্ট গ্রন্থটি রচনা করেননি। C) মাহমুদ নূরুল হুদা — এই অপশনটি ভুল কারণ তাঁর নামের সঙ্গে এই গ্রন্থটির কোনো সম্পৃক্ততা নেই। D) খান মুহাম্মদ মঈন উদ্দীন — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনিই এই জীবনীগ্রন্থটির লেখক। ৫ মনে রাখার টিপস: - নজরুলকে নিয়ে লেখা 'যুগস্রষ্টা' গ্রন্থটির লেখক খুঁজতে গেলে শিশুসাহিত্যিক খান মুহাম্মদ মঈন উদ্দীনের নাম মনে রাখতে হবে। - জীবনীগ্রন্থ মনে রাখার জন্য লেখকের নামের প্রথম অংশ এবং বইয়ের মূল বিষয় মিলিয়ে একটি ছোট বাক্য বানিয়ে নেওয়া যেতে পারে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামকে নিয়ে লেখা বিভিন্ন লেখকের জীবনীগ্রন্থগুলো BCS এবং অন্যান্য চাকরির পরীক্ষার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। - এই ধরনের প্রশ্ন সমাধানের ক্ষেত্রে লেখকের সাহিত্যিক পরিচিতি এবং তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থগুলোর নাম আলাদা করে মনে রাখতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0