প্রশ্নের বর্ণনা

a অজ
b ফি
c অতি
d খাস
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) অজ ১. কেন সঠিক: - অজ একটি খাঁটি বাংলা উপসর্গ, যা মূলত তৎসম বা তদ্ভব শব্দের আগে বসে অর্থের পরিবর্তন বা সংকোচন ঘটায়। - উপসর্গ হলো সেই অব্যয়সূচক শব্দাংশ, যা স্বাধীনভাবে ব্যবহৃত না হয়ে শব্দের পূর্বে বসে নতুন শব্দ গঠন করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত উপসর্গগুলোকে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা হয় যথা খাঁটি বাংলা উপসর্গ, তৎসম বা সংস্কৃত উপসর্গ এবং বিদেশি উপসর্গ। - খাঁটি বাংলা উপসর্গের সংখ্যা একুশটি, যার মধ্যে অ, অঘা, অজ, অনা ইত্যাদি বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অজপাড়াাঁয় ব্যাখ্যা: এখানে মূল শব্দ পাড়ার আগে অজ উপসর্গ যুক্ত হয়ে ক্ষুদ্র বা অনুন্নত অর্থ প্রকাশ করেছে। উদাহরণ ২: অজমূর্খ ব্যাখ্যা: এখানে মূর্খ শব্দের পূর্বে অজ উপসর্গ যুক্ত হয়ে তীব্রতা বা সম্পূর্ণতা প্রকাশ করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অজ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি একটি খাঁটি বাংলা উপসর্গ। B) ফি — এটি একটি ফারসি বা বিদেশি উপসর্গ, যা খাঁটি বাংলা উপসর্গ নয়। C) অতি — এটি একটি তৎসম বা সংস্কৃত উপসর্গ, যা খাঁটি বাংলা উপসর্গের অন্তর্ভুক্ত নয়। D) খাস — এটি একটি আরবি বা বিদেশি উপসর্গ, যা খাঁটি বাংলা উপসর্গ হিসেবে গণ্য হয় না। ৫. মনে রাখার টিপস: - একুশটি খাঁটি বাংলা উপসর্গ মনে রাখার একটি জনপ্রিয় ছন্দ হলো অ অঘা অজ অনা পাতি স সু হা রাম সর্ ভর ইত্যাদি। - শব্দের শুরুতে অজ দেখলে সাধারণত সেটি খাঁটি বাংলা উপসর্গ হিসেবে চিহ্নিত করা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই খাঁটি বাংলা ও তৎসম উপসর্গের পার্থক্য জানতে চাওয়া হয়। - উপসর্গগুলো মুখস্থ থাকলে বিদেশি এবং খাঁটি বাংলা উপসর্গ সহজে আলাদা করা সম্ভব।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0