প্রশ্নের বর্ণনা

a সপ্তম খ্রিস্টাব্দে
b সপ্তম খ্রিস্টপূর্বাব্দে
c খ্রিস্টীয় ত্রয়োদশ শতকে
d খ্রিস্টীয় দ্বাদশ শতকে
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সপ্তম খ্রিস্টাব্দে ১. কেন সঠিক: ডক্টর সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের মতে বাংলা ভাষার উদ্ভবকাল সপ্তম খ্রিস্টাব্দ। প্রাকৃত ও অপভ্রংশ স্তরের রূপ পরিবর্তনের মাধ্যমে এই সময়ে বাংলা ভাষার জন্ম হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: ভাষার ইতিহাস অনুযায়ী সপ্তম শতাব্দী থেকেই বাংলা ভাষার জন্মলগ্নের সূচনা ধরা হয়। ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে বাংলা ভাষার উদ্ভবকাল সপ্তম খ্রিস্টপূর্বাব্দ হলেও প্রমিত ও পরীক্ষাস্বীকৃত মত অনুযায়ী ডক্টর সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের সপ্তম খ্রিস্টাব্দ বহুল গৃহিত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চর্যাপদ ব্যাখ্যা: চর্যাপদ বাংলা ভাষার প্রাচীনতম নিদর্শন যার রচনাকাল সপ্তম থেকে দ্বাদশ শতক। উদাহরণ ২: প্রাকৃত ভাষা ব্যাখ্যা: বাংলা ভাষার মূল উৎস প্রাকৃত ও অপভ্রংশ ভাষার রূপান্তর এই সময়ে ঘটেছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সপ্তম খ্রিস্টাব্দে — এই অপশনটি সঠিক কারণ ভাষা গবেষকদের মতে এই সময়েই বাংলা ভাষার জন্ম হয়। B) সপ্তম খ্রিস্টপূর্বাব্দে — এটি ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মত হলেও সাধারণ প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই অপশনটি প্রধানত গ্রহণযোগ্য নয়। C) খ্রিস্টীয় ত্রয়োদশ শতকে — এই সময়ে বাংলা ভাষার উদ্ভব হয়নি বরং বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের সূচনা হয়েছিল। D) খ্রিস্টীয় দ্বাদশ শতকে — এই সময়ে বাংলা ভাষার উদ্ভবকাল শেষ হয়ে প্রাচীন বাংলা সাহিত্যের সমাপ্তি ঘটেছিল। ৫. মনে রাখার টিপস: সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের সাথে সপ্তম খ্রিস্টাব্দ মনে রাখার জন্য সুনীতি শব্দের প্রথম অক্ষর এবং সপ্তম শব্দের প্রথম অক্ষর মিলিয়ে পড়তে পারো। বাংলা ভাষার জন্ম নিয়ে সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের মতই পরীক্ষার জন্য চূড়ান্ত বলে ধরা হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ভাষা আন্দোলনের ইতিহাস ও ভাষার উৎপত্তি থেকে প্রায়ই বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে। ডক্টর সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় এবং ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতবাদ দুটি ভালোভাবে মনে রাখা আবশ্যক।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0