প্রশ্নের বর্ণনা

a চাঁদ
b সূর্য
c নক্ষত্র
d গগণ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) চাঁদ ১. কেন সঠিক: - চাঁদ একটি তদ্ভব শব্দ কারণ এটি সংস্কৃত শব্দ চন্দ্র থেকে প্রাকৃত হয়ে পরিবর্তিত হয়ে বাংলা ভাষায় এসেছে। - তদ্ভব শব্দের অর্থ হলো তা থেকে ভব বা উৎপন্ন, অর্থাৎ যে শব্দগুলোর উৎস প্রাকৃত বা অপভ্রংশের মাধ্যমে সংস্কৃত থেকে পরিবর্তিত হয়ে প্রমিত বাংলা ভাষায় স্থান করে নিয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - উৎসের দিক থেকে বাংলা ভাষার শব্দসমূহকে মূলত পাঁচটি ভাগে ভাগ করা হয় যথা তৎসম, অর্ধতৎসম, তদ্ভব, দেশি ও বিদেশি শব্দ। - তদ্ভব শব্দকে বাংলা ভাষার নিজস্ব শব্দ বলা হয় কারণ এর রূপ প্রাকৃত ভাষার হাত ধরে বহু বিবর্তনের মধ্য দিয়ে আজকের পর্যায়ে এসে পৌঁছেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ভাত ব্যাখ্যা: ভাত শব্দটি সংস্কৃত ভক্ত থেকে প্রাকৃত হয়ে তদ্ভব হিসেবে বাংলা ভাষায় এসেছে। উদাহরণ ২: হাত ব্যাখ্যা: হাত শব্দটি সংস্কৃত হস্ত থেকে প্রাকৃত হয়ে তদ্ভব হিসেবে বাংলা ভাষায় এসেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: B) সূর্য — এটি একটি তৎসম বা সংস্কৃত শব্দ যা বাংলা ভাষায় অপরিবর্তিতভাবে ব্যবহৃত হয়। C) নক্ষত্র — এটি একটি তৎসম বা সংস্কৃত শব্দ যার কোনো পরিবর্তন ছাড়াই বাংলা ভাষায় ব্যবহার করা হয়। D) গগণ — এটি একটি তৎসম বা সংস্কৃত শব্দ যার অর্থ আকাশ এবং এটি তদ্ভব শব্দ নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - তদ্ভব শব্দ চেনার উপায় হলো এগুলোতে সাধারণত চন্দ্রবিন্দু যুক্ত থাকে এবং এদের রূপ প্রাকৃত ভাষার মাধ্যমে পরিবর্তিত হয়। - চন্দ্র, হস্ত, মস্তক ইত্যাদি তৎসম শব্দ বিবর্তিত হয়ে চাঁদ, হাত, মাথা ইত্যাদি তদ্ভব শব্দে রূপান্তরিত হয়েছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দ মূল উৎস থেকে কোন শ্রেণীতে পড়েছে তা প্রায়ই জানতে চাওয়া হয়। - তৎসম ও তদ্ভব শব্দের পার্থক্য ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এই ধরনের প্রশ্ন খুব সহজে সমাধান করা সম্ভব।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0