প্রশ্নের বর্ণনা

a বাবুয়ানা
b মহাযাত্রা
c জলধি
d গবেষণা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) গবেষণা ১. কেন সঠিক: গবেষণা শব্দটি ব্যুৎপত্তিগত অর্থ এবং প্রচলিত অর্থের মধ্যে ভিন্নতা প্রকাশ করে বলে এটি একটি রূড়ি শব্দ। উৎপত্তিগতভাবে 'গো' (গরু) + 'েষণা' (সন্ধান) মিলে গরুর সন্ধান করা বোঝায়, কিন্তু বর্তমানে এটি কোনো বিষয়ে গভীর ও ব্যাপক জ্ঞান অর্জনের সাধনা বা অধ্যয়ন অর্থে ব্যবহৃত হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: যেসব শব্দ প্রত্যয় বা উপসর্গ যোগে গঠিত হয়েও মূল শব্দের অনুগামী না হয়ে সম্পূর্ণ ভিন্ন কোনো অর্থ প্রকাশ করে, সেগুলোকে রূড়ি বা রূঢ়ি শব্দ বলে। এটি মূলত শব্দের উৎসের ওপর ভিত্তি করে শব্দের শ্রেণিবিভাগের একটি অংশ, যেখানে শব্দের প্রচলিত অর্থ তার সাধারণ গঠনগত অর্থ থেকে আলাদা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সন্দেশ ব্যাখ্যা: সন্দেশ শব্দের সাধারণ অর্থ সংবাদ বা খবর, কিন্তু রূড়ি শব্দ হিসেবে এটি এক ধরণের মিষ্টি বা উপাদেয় খাদ্য বোঝায়। উদাহরণ ২: তৈল ব্যাখ্যা: তৈল শব্দের উৎপত্তিগত অর্থ তিল থেকে উৎপন্ন স্নেহপদার্থ, কিন্তু বর্তমানে এটি তিল ছাড়াও সরিষা বা অন্যান্য উদ্ভিজ্জ তেল বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাবুয়ানা — এটি একটি প্রত্যয়সাধিত শব্দ এবং এর অর্থ বাবুর ভাব বা আচরণ, যা রূড়ি শব্দ নয়। B) মহাযাত্রা — এটি একটি সমাসবদ্ধ শব্দ যার অর্থ মহান যাত্রা বা মৃত্যু, এটি যৌগিক শব্দের অন্তর্ভুক্ত। C) জলধি — এটি একটি যোগরূঢ় শব্দ যার অর্থ জল ধারণ করে যা অর্থাৎ সমুদ্র, তাই এটি রূড়ি শব্দ নয়। D) গবেষণা — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর প্রচলিত অর্থ ও উৎপত্তিগত অর্থের মধ্যে ভিন্নতা রয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: রূড়ি শব্দ মনে রাখার সহজ উপায় হলো মনে রাখা যে এগুলো দেখতে একরকম হলেও অর্থের দিক থেকে সম্পূর্ণ নতুন বা আলাদা অর্থ প্রকাশ করে। গবেষণা, সন্দেশ, তৈল, প্রবীণ ও হস্তী এই কয়েকটি শব্দ বারবার চর্চা করলে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় রূড়ি শব্দ খুব সহজে চিহ্নিত করা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই শব্দার্থ ও শব্দের উৎস থেকে প্রশ্ন আসে, বিশেষ করে রূড়ি, যৌগিক ও যোগরূঢ় শব্দের পার্থক্য নির্ণয় করতে বলা হয়। কোনো শব্দ তার গঠনের অর্থ না বুঝিয়ে যখন প্রথাগত বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে, তখন তা রূড়ি শব্দ হিসেবে গণ্য করতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0