প্রশ্নের বর্ণনা

a গতি
b গত
c গম্য
d গম্
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) গম্ ১. কেন সঠিক: গমন শব্দটির মূল বা সংস্কৃত ধাতু হলো গম্, যার সঙ্গে অনট্ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে গমন শব্দটি গঠিত হয়েছে। বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী ধাতু হলো ক্রিয়ার মূল অংশ, যা বিশ্লেষণ করা যায় না। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: সংস্কৃত থেকে আগত তৎসম শব্দের ক্ষেত্রে ক্রিয়ার মূল রূপকে ধাতু বলা হয় এবং এর নিচে হসন্ত চিহ্ন ব্যবহার করা হয়। গমন শব্দের ক্ষেত্রে গম্ ধাতুর সঙ্গে অনট্ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে ভাববাচ্যে বিশেষ্য পদ গঠিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: খাদ ধাতু যোগ অনট্ সমান খাদ্ ধাতু হয় না, ভুজ ধাতুর ক্ষেত্রে ভোজন হয়। ব্যাখ্যা: ক্রিয়ামূলের সঙ্গে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠনের এটি আদর্শ প্রক্রিয়া। উদাহরণ ২: পঠ ধাতু যোগ অনট্ সমান পঠন। ব্যাখ্যা: পঠ হলো ধাতুর মূল রূপ এবং পঠন হলো তার থেকে তৈরিকৃত বিশেষ্য পদ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) গতি — এটি কোনো ধাতু নয়, বরং গম্ ধাতুর সঙ্গে তি প্রত্যয় যুক্ত হয়ে গঠিত একটি শব্দ। B) গত — এটি ধাতু নয়, গম্ ধাতুর সঙ্গে ক্ত প্রত্যয় যুক্ত হয়ে গঠিত একটি কৃদন্ত শব্দ। C) গম্য — এটি ধাতু নয়, গম্ ধাতুর সঙ্গে ণ্যল বা য প্রত্যয় যুক্ত গঠিত একটি শব্দ। D) গম্ — এটি সঠিক ধাতু যা ক্রিয়ার মূল রূপ হিসেবে নির্দেশিত হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: সংস্কৃত উৎসের অনেক বিশেষ্য শব্দের মূল ধাতু চেনার জন্য তার ক্রিয়ার রূপ লক্ষ্য করতে হয়। গমন শব্দের ক্রিয়াপদ গমন করা বা যাওয়া থেকে এর মূল ধাতু গম্ সহজে মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই তৎসম শব্দের মূল ধাতু থেকে প্রশ্ন আসে। ধাতু চিহ্নিত করার সময় শব্দের শেষে হসন্তযুক্ত রূপটি নির্বাচন করতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0