প্রশ্নের বর্ণনা

a জাত
b গৈরিক
c উদ্ধত
d গাম্ভীর্য
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) গাম্ভীর্য ১. কেন সঠিক: - গাম্ভীর্য শব্দটির মূল হলো গম্ভীর এবং এর সাথে ্য প্রত্যয় যুক্ত হয়ে এটি বিশেষ্য পদে রূপান্তরিত হয়েছে। - এটি কোনো ব্যক্তি, বস্তু বা গুণের নাম প্রকাশ করে যা বিশেষ্য পদের প্রধান বৈশিষ্ট্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যে শব্দ দ্বারা কোনো ব্যক্তি, জাতি, সমষ্টি, বস্তু, ভাব, অবস্থা বা গুণের নাম বোঝায় তাকে বিশেষ্য পদ বলে। - গাম্ভীর্য হলো গম্ভীরের ভাববাচক বা গুণবাচক বিশেষ্য যা প্রত্যয় যোগে গঠিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মধুর থেকে মাধুর্য ব্যাখ্যা: মাধুর্য শব্দটিও গাম্ভীর্য শব্দের মতো গুণবাচক বিশেষ্যের একটি উপযুক্ত উদাহরণ। উদাহরণ ২: সুন্দর থেকে সৌন্দর্য ব্যাখ্যা: সৌন্দর্য শব্দটি গুণের নাম বোঝাতে বিশেষ্য পদ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জাত — এটি বিশেষ্য বা বিশেষণ উভয় পদেই হতে পারে তবে নির্দিষ্ট গুণের নাম বোঝায় না। B) গৈরিক — এটি একটি বিশেষণ পদ যা গেরুয়া রঙ বা মৃত্তিকা নির্দেশ করে। C) উদ্ধত — এটি একটি বিশেষণ পদ যা অহংকারী বা ধৃষ্টতাপূর্ণ ভাব প্রকাশ করে। D) গাম্ভীর্য — সঠিক উত্তর কারণ এটি ভাববাচক বিশেষ্য পদ। ৫. মনে রাখার টিপস: - শব্দের শেষে ্য বা ত্য যুক্ত থাকলে অধিকাংশ ক্ষেত্রে তা ভাববাচক বা গুণবাচক বিশেষ্য হয়। - মূল শব্দের সাথে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে বিশেষ্য গঠন করার নিয়মটি ভালোভাবে মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দ রূপান্তর এবং পদ নির্ণয় প্রায়ই আসে। - বিশেষণ থেকে বিশেষ্য পদ চেনার কৌশল আয়ত্ত করলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0