প্রশ্নের বর্ণনা

a বেহুশ
b মুখেভাত
c খেচর
d গায়েহলুদ
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) গায়েহলুদ ১. কেন সঠিক: - যে সমাসের পূর্বপদের বিভক্তি লোপ পায় না, তাকে অলুক সমাস বলে। গায়ে হলুদ কথাটিতে গায়ে পদে এ বিভক্তি এবং হলুদ পদে কোনো বিভক্তি নেই, যা সমস্তপদেও অপরিবর্তিত থাকে। - এটি মূলত গায়ে হলুদ দেওয়া হয় যে অনুষ্ঠানে, এই অর্থে মধ্যপদলোপী বহুব্রীহি সমাস হলেও বিভক্তি লোপ না পাওয়ার কারণে এটি অলুক বহুব্রীহি সমাস হিসেবেও ব্যাকরণে স্বীকৃত। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যে সমাসে ব্যাসবাক্যের কোনো পদের বিভক্তি (এ, য়, তে ইত্যাদি) সমস্তপদে লোপ পায় না, তাকে অলুক সমাস বলে। - অলুক সমাস মূলত তিন প্রকার, যেমন অলুক দ্বন্দ্ব, অলুক তৎপুরুষ এবং অলুক বহুব্রীহি। গায়েহলুদ শব্দটি অলুক বহুব্রীহি সমাসের একটি বহুল ব্যবহৃত উদাহরণ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গায়েহলুদ ব্যাখ্যা: গায়ে হলুদ দেওয়া হয় যে অনুষ্ঠানে, এখানে গায়ে পদের এ বিভক্তি সমস্তপদেও বজায় থাকে। উদাহরণ ২: হাতেকলমে ব্যাখ্যা: হাতে কলমে যা শেখা হয়, এখানে হাতে পদের এ বিভক্তি সমস্তপদেও অপরাজিত থাকে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বেহুশ — এটি ফার্সি উপসর্গযোগে গঠিত একটি অব্যয়ভাব বা প্রাদি সমাসের শব্দ, যার অর্থ হুঁশ নাই যার। B) মুখেভাত — এটি সাধারণ মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাসের উদাহরণ, যেখানে মুখে ভাত দেওয়া হয় যে অনুষ্ঠানে বোঝায় কিন্তু ব্যাকরণগতভাবে এটি অলুক নয়। C) খেচর — এটি একটি অলুক উপপদ তৎপুরুষ সমাসের উদাহরণ, কারণ আকাশে চরে যে খেচর। D) গায়েহলুদ — এটি সঠিক উত্তর। ৫. মনে রাখার টিপস: - যে সমাসবদ্ধ পদে বিভক্তি স্পষ্ট দেখতে পাওয়া যায় এবং তা লোপ পায় না, তাকে চোখ বন্ধ করে অলুক সমাস হিসেবে চিহ্নিত করবে। - বহুব্রীহি সমাসে গায়ে, হাতে বা মাথায় শব্দে বিভক্তি থাকলে তা সাধারণত অলুক বহুব্রীহি হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় গায়েহলুদ, হাতেকলমে এবং ঘিয়েভাজা শব্দগুলো প্রায়ই অলুক সমাস হিসেবে আসে। - ব্যাসবাক্য নির্ণয় করার সময় বিভক্তি বহাল থাকছে কি না, তা ভালোভাবে লক্ষ করতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0