প্রশ্নের বর্ণনা

a আলাউদ্দিন হোসেন শাহ
b রুকনউদ্দিন বারবক শাহ
c ফখরুদ্দিন মুবারক শাহ
d গিয়াস উদ্দিন আজম শাহ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) গিয়াস উদ্দিন আজম শাহ ১. কেন সঠিক: পারস্যের বিখ্যাত কবি হাফিজ সিরাজীকে বাংলার সুলতান গিয়াস উদ্দিন আজম শাহ সোনারগাঁয়ে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। সুলতান গিয়াস উদ্দিন আজম শাহের সঙ্গে কবি হাফিজের পত্রালাপের ঐতিহাসিক তথ্য বাংলা সাহিত্য ও মধ্যযুগের ইতিহাসে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: সুলতান গিয়াস উদ্দিন আজম শাহ ইলিয়াস শাহী বংশের একজন উদার ও সংস্কৃতিমনা শাসক ছিলেন। তাঁর রাজত্বকালে সোনারগাঁ আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের পাশাপাশি সাহিত্য ও সংস্কৃতির একটি বিখ্যাত কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত লাভ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সুলতান গিয়াস উদ্দিন আজম শাহের রাজদরবারে কবি হাফিজের আমন্ত্রণের ঘটনা। ব্যাখ্যা: এটি মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে বৈদেশিক যোগাযোগের একটি উল্লেখযোগ্য ঐতিহাসিক নিদর্শন। উদাহরণ ২: কবি হাফিজ ও সুলতান গিয়াস উদ্দিন আজম শাহের মধ্যকার বিখ্যাত গজল বিনিময়। ব্যাখ্যা: সুলতান একটি গজল লেখার পর শেষাংশ মেলাতে না পারলে কবি হাফিজ পারস্য থেকে তা সম্পন্ন করে পাঠান। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আলাউদ্দিন হোসেন শাহ — তিনি হোসেন শাহী বংশের বিখ্যাত সুলতান ছিলেন এবং বাংলা সাহিত্যের পৃষ্ঠপোষকতা করলেও কবি হাফিজকে আমন্ত্রণ জানাননি। B) রুকনউদ্দিন বারবক শাহ — তিনি ইলিয়াস শাহী বংশের সুলতান ছিলেন, তবে কবি হাফিজকে আমন্ত্রণ জানানোর ঘটনার সঙ্গে তিনি সম্পর্কিত নন। C) ফখরুদ্দিন মুবারক শাহ — তিনি স্বাধীন সোনারগাঁ রাজ্যের প্রথম সুলতান ছিলেন, যা কবি হাফিজের আমন্ত্রণের সময়কালের সঙ্গে মেলে না। D) গিয়াস উদ্দিন আজম শাহ — এই অপশনটি সঠিক এবং তিনিই কবি হাফিজকে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। ৫ মনে রাখার টিপস: বাংলার সুলতান এবং পারস্যের কবি হাফিজের মধ্যকার সাহিত্যিক যোগাযোগের জন্য গিয়াস উদ্দিন আজম শাহ নামটি মনে রাখুন। মধ্যযুগে সোনারগাঁর সংস্কৃতির উন্নতির সঙ্গে সুলতান গিয়াস উদ্দিন আজম শাহের নাম সরাসরি জড়িত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: মধ্যযুগে বাংলার সুলতানদের সাহিত্যপ্রীতি এবং বিদেশি কবিদের সঙ্গে যোগাযোগের ইতিহাস থেকে প্রায়ই বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে। সুলতান গিয়াস উদ্দিন আজম শাহের শাসনকাল এবং সোনারগাঁর সাহিত্যিক ঐতিহ্য সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা রাখা জরুরি।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0