প্রশ্নের বর্ণনা

a গৃহিনী
b গৃহীনি
c গৃহিণী
d গৃহিনি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) গৃহিণী ১. কেন সঠিক: - বাংলা বানানরীতি অনুযায়ী 'গৃহিণী' শব্দটিতে হ্রস্ব ই-কার এবং মূর্ধন্য ণ ব্যবহৃত হয়। - শব্দের শেষে ঈ-কার ব্যবহারের নির্দিষ্ট নিয়ম এবং তৎসম শব্দের বানানের নিয়মের কারণে এই বানানটি প্রমিত হিসেবে গৃহিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - তৎসম বা সংস্কৃত শব্দে ই বা ঈ এবং উ বা ঊ-এর ব্যবহারের ক্ষেত্রে বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুসরণ করা হয়। - 'গৃহিণী' একটি তৎসম শব্দ যেখানে শেষ বর্ণ 'ণ'-এ দীর্ঘ ঈ-কার যুক্ত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শিরোমণি ব্যাখ্যা: এটি একটি তৎসম শব্দ এবং এর বানানেও একই নিয়মে ই-কার ও ণ-ত্ব বিধানের প্রয়োগ ঘটে। উদাহরণ ২: পশম ব্যাখ্যা: এটি অন্য একটি প্রমিত তৎসম শব্দ যা বানান শেখার সময় অনুরূপ নিয়ম অনুসরণ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) গৃহিনী — এই বানানটি ভুল কারণ এতে 'ণ'-এর পরিবর্তে 'ন' এবং দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহার করা হয়েছে। B) গৃহীনি — এই বানানটি ভুল কারণ এখানে প্রথম অংশে দীর্ঘ ঈ-কার এবং শেষ অংশে হ্রস্ব ই-কার ব্যবহার করা হয়েছে যা সঠিক নয়। C) গৃহিণী — এটি সঠিক বানান এবং প্রমিত নিয়ম মেনে লিখিত হয়েছে। D) গৃহিনি — এই বানানটি ভুল কারণ এর শেষ বর্ণে হ্রস্ব ই-কার ব্যবহার করা হয়েছে যা প্রমিত নিয়মের পরিপন্থী। ৫. মনে রাখার টিপস: - গৃহিণী শব্দটির শেষে সবসময় মূর্ধন্য ণ-এ দীর্ঘ ঈ-কার বসে তা মনে রাখবে। - তৎসম শব্দের বানানের ক্ষেত্রে শেষের বর্ণে দীর্ঘ ই-কার দেওয়ার প্রবণতা চর্চা করতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তৎসম শব্দের বানানের প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - মূর্ধন্য ণ এবং ন-ত্ব বিধানের সঠিক প্রয়োগ জানা থাকলে এ ধরনের বানান সহজে নির্ণয় করা যায়।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0