প্রশ্নের বর্ণনা

a পার্বতী কাহিনী
b মীননাথের নারীমোহ থেকে উদ্ধার
c ময়নামতি ও গোপীচন্দ্রের আখ্যান
d গোপীচন্দ্রের সন্ন্যাস
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ময়নামতি ও গোপীচন্দ্রের আখ্যান ১. কেন সঠিক: নাথ সাহিত্যের সবচেয়ে জনপ্রিয় ও প্রধান নিদর্শন হলো ময়নামতি ও গোপীচন্দ্রের আখ্যান, যা রাজধর্ম ও লৌকিক বিশ্বাসের এক অপূর্ব মিশ্রণ। এই আখ্যানে রাজা গোপীচন্দ্রের সন্ন্যাস গ্রহণ এবং তাঁর মাতা ময়নামতির আধ্যাত্মিক শিক্ষা ও প্রভাব বিস্তারিতভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের একটি অন্যতম ধারা হলো নাথ সাহিত্য, যা নাথ ধর্মের যোগসাধনা ও গোরক্ষনাথ বা মীননাথের পীরত্ব কেন্দ্র করে গড়ে ওঠে। এই ধারার সাহিত্য মূলত লৌকিক ও ধর্মীয় উপকথার ওপর ভিত্তি করে রচিত হয়েছিল এবং এতে বৌদ্ধ সহজিয়া ধর্মের প্রভাবও লক্ষ্য করা যায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গোরক্ষবিজয় ব্যাখ্যা: এটি নাথ সাহিত্যের আরেকটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও প্রামাণ্য প্রাচীন নিদর্শন। উদাহরণ ২: মীননাথের পদ ব্যাখ্যা: এই পদগুলোতে নাথ যোগীদের সাধনপ্রণালী ও আধ্যাত্মিক তত্ত্বের প্রকাশ ঘটেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পার্বতী কাহিনী — এটি শাক্ত পদাবলি বা পৌরাণিক সাহিত্যের অংশ, নাথ সাহিত্যের প্রধান নিদর্শন নয়। B) মীননাথের নারীমোহ থেকে উদ্ধার — এটি নাথ সাহিত্যের কাহিনীর অংশ হলেও সামগ্রিকভাবে প্রধান নিদর্শন হিসেবে গণ্য হয় না। D) গোপীচন্দ্রের সন্ন্যাস — এটি মূল আখ্যানের অংশ বিশেষ, কিন্তু সমগ্র সাহিত্যিক রূপের প্রমিত নাম ময়নামতি ও গোপীচন্দ্রের আখ্যান। ৫ মনে রাখার টিপস: নাথ সাহিত্য মনে রাখতে মনে রাখবে নাথ মানেই যোগী আর রাজা গোপীচন্দ্র ও তাঁর মা ময়নামতির কাহিনী এই সাহিত্যের প্রধান স্তম্ভ। ম দিয়ে ময়নামতি এবং ম দিয়ে নাথ সাহিত্যের মূল চরিত্র ও নিদর্শন সহজে মনে রাখা যায়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নাথ সাহিত্যের শ্রেষ্ঠ নিদর্শন কোনটি তা বারবার আসে। নাথ সাহিত্যের মূল গুরু হলেন মীননাথ ও গোরক্ষনাথ, তাই এই নামগুলো পরীক্ষার জন্য ভালোভাবে মনে রাখবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0