প্রশ্নের বর্ণনা

a দ্বিজেন্দ্রলাল রায়
b রজনীকান্ত সেন
c কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার
d গোবিন্দ চন্দ্র দাস
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) দ্বিজেন্দ্রলাল রায় ১. কেন সঠিক: বাংলা সাহিত্যে প্যারডি বা বিদ্রূপাত্মক গীতিববিতা রচনার ক্ষেত্রে দ্বিজেন্দ্রলাল রায় হলেন পথিকৃৎ বা প্রথম সার্থক স্রষ্টা। তিনি অত্যন্ত সুকৌশলে সমসাময়িক সমাজ, রাজনীতি ও সাহিত্যধারার ত্রুটি বিচ্যুতি হাস্যরস ও ব্যঙ্গের মাধ্যমে ফুটিয়ে তুলেছিলেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: দ্বিজেন্দ্রলাল রায় একাধারে প্রখ্যাত নাট্যকার, কবি এবং সংগীতস্রষ্টা হিসেবে বাংলা সাহিত্যে চিরস্মরণীয় হয়ে আছেন। তার বিদ্রূপাত্মক গান ও কবিতাগুলো তৎকালীন সমাজে বিশেষ জনপ্রিয়তা লাভ করেছিল এবং পরবর্তী লেখকদের অনুপ্রাণিত করেছিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দ্বিজেন্দ্রলাল রায়ের লেখা বিখ্যাত ঐতিহাসিক নাটক চন্দ্রগুপ্ত। ব্যাখ্যা: এটি তার অন্যতম শ্রেষ্ঠ নাটক যার মাধ্যমে তিনি নাট্যসাহিত্যে অমরত্ব লাভ করেছেন। উদাহরণ ২: দ্বিজেন্দ্রলাল রায়ের বিখ্যাত গান ধন ধান্যে পুষ্প ভরা। ব্যাখ্যা: এই দেশাত্মবোধক গানটি আজও বাঙালির হৃদয়ে গভীরভাবে সমাদৃত এবং অত্যন্ত জনপ্রিয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দ্বিজেন্দ্রলাল রায় — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি বাংলা সাহিত্যে প্যারডি রচনার ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছিলেন। B) রজনীকান্ত সেন — তিনি মূলত ভক্তিমূলক ও দেশাত্মবোধক গানের জন্য বিখ্যাত, প্যারডি রচনার পথিকৃৎ নন। C) কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার — তিনি নীতিগর্ভ শ্লোক ও মহৎ কাব্যের জন্য পরিচিত, প্যারডি রচনার জন্য নন। D) গোবিন্দ চন্দ্র দাস — তিনি স্বভাবকবি হিসেবে পরিচিত এবং তার কবিতায় মূলত দুঃখ ও বিরহের সুর প্রধান। ৫. মনে রাখার টিপস: দ্বিজেন্দ্রলাল রায়কে মনে রাখার জন্য মনে রাখতে পারো তিনি নাটক ও দেশের গানের পাশাপাশি বিদ্রূপাত্মক বা প্যারডি রচনারও জনক। বাংলা সাহিত্যে প্যারডি লেখার ক্ষেত্রে তার নামই প্রথম মাথায় রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বাংলা সাহিত্যের বিভিন্ন ধারার প্রবক্তা সম্পর্কে প্রশ্ন আসে। প্যারডি রচনার পথিকৃৎ হিসেবে দ্বিজেন্দ্রলাল রায়ের নাম ভালোভাবে মনে রাখা আবশ্যক।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0