প্রশ্নের বর্ণনা

a বিদ্যাপতি
b চণ্ডীদাস
c জ্ঞানদাস
d গোবিন্দ দাস
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বিদ্যাপতি ১. কেন সঠিক: বিদ্যাপতি মৈথিলি ভাষার কবি হওয়া সত্ত্বেও বাংলা পদাবলি সাহিত্যে অবদানের জন্য বাংলার কবি হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছেন। তিনি বাংলায় একটিও পূর্ণাঙ্গ কবিতা বা পদ রচনা করেননি, বরং ব্রজবুলি ভাষায় পদ লিখে বাংলা সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করেছেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: বিদ্যাপতি ছিলেন মিথিলার রাজকবি এবং সংস্কৃত ও অবহট্ঠ ভাষার পন্ডিত। তার রচিত পদগুলো ব্রজবুলি ভাষায় রচিত হলেও বাঙালি বৈষ্ণব ভক্তরা তা বাংলা সাহিত্যের অঙ্গীভূত করে নেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সজনি কুঞ্জ ভবনে কে গেলা ব্যাখ্যা: এটি বিদ্যাপতির একটি বিখ্যাত পদ যা ব্রজবুলি ভাষায় রচিত হলেও বাংলায় বহুল সমাদৃত। উদাহরণ ২: তিল তিল জোরল কছু না দেখল ব্যাখ্যা: রাধা ও কৃষ্ণের প্রেমের আকুলতা প্রকাশকারী এই পদটিও বিদ্যাপতির লেখা এবং বাংলা পদাবলিতে অত্যন্ত জনপ্রিয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিদ্যাপতি — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি বাংলায় কোনো কবিতা না লিখেও ব্রজবুলি ভাষায় লিখে বাংলার কবি হিসেবে অমর হয়ে আছেন। B) চণ্ডীদাস — চণ্ডীদাস খাঁটি বাংলায় পদ রচনা করেছিলেন, তাই তিনি একছত্র কবিতা না লিখে বাংলার কবি হওয়ার ব্যতিক্রমের মধ্যে পড়েন না। C) জ্ঞানদাস — জ্ঞানদাস বাংলা ভাষায় পদ রচনা করেছেন এবং তিনি বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের একজন স্বনামধন্য পদকর্তা কবি। D) গোবিন্দ দাস — গোবিন্দ দাস বাংলা ও ব্রজবুলি উভয় ভাষাতেই পদ লিখেছেন এবং তিনি খাঁটি বাংলা ভাষার চর্চাও করেছিলেন। ৫ মনে রাখার টিপস: প্রশ্নটিতে মৈথিলি কবি বিদ্যাপতিকে স্মরণ রাখতে হবে যিনি বাংলায় না লিখেও বাংলার মধ্যযুগের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি হিসেবে মর্যাদা পেয়েছেন। ব্রজবুলি ভাষার সঙ্গে বিদ্যাপতি নামটি ওতপ্রোতভাবে জড়িত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিদ্যাপতি বাংলার কবি না হয়েও বৈষ্ণব পদাবলীর জন্য বাংলা সাহিত্যের অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে আছেন। পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে ব্রজবুলি ভাষা কোন অঞ্চলের ভাষা বা বিদ্যাপতির মূল ভাষা কী ছিল।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0