প্রশ্নের বর্ণনা

a ইজ্জতুল্লাহ
b বিদ্যাপতি
c বাবা আউল মনোহর দাস
d গোবিন্দ দাস
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বাবা আউল মনোহর দাস কেন সঠিক: - বাবা আউল মনোহর দাস প্রথম বৈষ্ণব পদাবলী সংগ্রহ ও সংকলন করার উদ্যোগ নিয়েছিলেন। - তাঁর সংকলিত পদগুলোর মাধ্যমেই পরবর্তী সময়ে বৈষ্ণব পদাবলী প্রচার ও প্রসার লাভ করে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সাহিত্য প্রসঙ্গ অনুসারে বৈষ্ণব পদাবলী মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ শাখা। - শ্রীচৈতন্যের ভাবশিষ্য ও ভক্তদের রচিত পদগুলো সুরের মাধ্যমে গীত হতো এবং পরবর্তীকালে তা সংকলিত হয়। - উদাহরণস্বরূপ গোবিন্দদাস ও চণ্ডীদাসের লেখা পদগুলো এই সংগ্রহের অন্তর্ভুক্ত ছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) ইজ্জতুল্লাহ — তিনি মধ্যযুগের একজন কবি ও সাহিত্যিক ছিলেন, পদাবলী সংগ্রহের সঙ্গে যুক্ত নন। - B) বিদ্যাপতি — তিনি মৈথিলী কবি হলেও বাংলা বৈষ্ণব পদাবলীর অন্যতম প্রধান পদকর্তা, সংগ্রাহক নন। - D) গোবিন্দদাস — তিনি বৈষ্ণব পদাবলীর একজন বিখ্যাত পদকর্তা বা রচয়িতা, সংগ্রাহক নন। মনে রাখার টিপস: - পদাবলী রচয়িতা আর সংগ্রাহক এক নন, রচয়িতা বিদ্যাপতি-গোবিন্দদাস আর সংগ্রাহক বাবা আউল মনোহর দাস।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0