প্রশ্নের বর্ণনা

a বিদ্যাপতির
b জ্ঞানদাসের
c চণ্ডীদাসের
d গোবিন্দ দাসের
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বিদ্যাপতির ১. কেন সঠিক: - বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর মধ্যযুগের বিখ্যাত পদকর্তা বিদ্যাপতির পদাবলি ও কাব্যকে অত্যন্ত উচ্চ মর্যাদা দিয়ে 'রাজকণ্ঠের মণিমালা' বলে অভিহিত করেছেন। - বিদ্যাপতি মৈথিলি ভাষার কবি হলেও বাংলা সাহিত্যের বৈষ্ণব পদাবলিতে তাঁর অবদান অপরিসীম এবং রবীন্দ্রনাথ তাঁর দ্বারা গভীরভাবে প্রভাবিত ছিলেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বিদ্যাপতি পঞ্চদশ শতাব্দীর মৈথিলি ভাষার কবি হলেও বাংলা সাহিত্যের বৈষ্ণব পদাবলীর আদি ও অন্যতম প্রধান কবি হিসেবে সমাদৃত। - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর সম্পাদিত 'পদকর্তা বিদ্যাপতি' গ্রন্থে এবং তাঁর বিভিন্ন সাহিত্যালোচনায় বিদ্যাপতির কাব্যের এই বিশেষ প্রশংসা করা হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'বিদ্যাপতি ও বৈষ্ণব পদাবলী' প্রবন্ধ। ব্যাখ্যা: এই প্রবন্ধে রবীন্দ্রনাথ বিদ্যাপতির কবিতার সৌন্দর্য এবং রাধা-কৃষ্ণের প্রেমের গভীরতা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছেন। উদাহরণ ২: রবীন্দ্রনাথের 'সোনার তরী' কাব্যের বিভিন্ন কবিতায় বৈষ্ণব পদাবলীর প্রভাব। ব্যাখ্যা: মধ্যযুগের পদাবলীর প্রেম ও সৌন্দর্যের চেতনা রবীন্দ্রনাথের অনেক কবিতায় আধুনিক রূপ লাভ করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিদ্যাপতির — সঠিক উত্তর কারণ রবীন্দ্রনাথ তাঁর কাব্যকেই রাজকণ্ঠের মণিমালা বলেছেন। B) জ্ঞানদাসের — জ্ঞানদাস মধ্যযুগের একজন গুরুত্বপূর্ণ পদকর্তা হলেও এই নির্দিষ্ট উপাধির সঙ্গে সম্পর্কিত নন। C) চণ্ডীদাসের — চণ্ডীদাস বৈষ্ণব পদাবলীর অন্যতম প্রধান কবি হলেও তাঁর কাব্যকে এই বিশেষ নামে ভূষিত করা হয়নি। D) গোবিন্দ দাসের — গোবিন্দ দাস শেষের দিকের পদকর্তা এবং তাঁর পদের নিজস্ব বৈশিষ্ট্য থাকলেও এই মন্তব্য তাঁর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - বিদ্যাপতি মানেই রাজকণ্ঠের মণিমালা, কারণ রাজা শিবসিংহের সভা অলংকৃত করা এই কবির পদ রবীন্দ্রনাথের কাছে মণিমালার মতো মূল্যবান ছিল। - মধ্যযুগের কবিদের মধ্যে রবীন্দ্রনাথ সবচেয়ে বেশি মুগ্ধ হয়েছিলেন বিদ্যাপতির পদাবলী পড়ে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মধ্যযুগের কবি ও তাঁদের উপাধি বা সাহিত্যমূল্যায়ন সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - রবীন্দ্রনাথ কোন কবিকে কী নামে ডেকেছেন বা কোন সাহিত্যকর্ম সম্পর্কে কী মন্তব্য করেছেন, তা ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0