প্রশ্নের বর্ণনা

a ইসমাইল হোসেন সিরাজী
b রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
c কাজী নজরুল ইসলাম
d গোলাম মোস্তফা
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১. কেন সঠিক: - প্রদত্ত উদ্ধৃতিটি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত কবিতার অংশ, যা ন্যায়বিচার ও মানবতার শাশ্বত বাণী প্রকাশ করে। - দণ্ডিত ব্যক্তির কষ্টের সঙ্গে যখন বিচারক বা দাতার মন সমবেদনায় কেঁদে ওঠে, তখন সেই বিচারই হয় সর্বশ্রেষ্ঠ ও মানবিক। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যজগতের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র, যিনি কবিতা, ছোটগল্প, নাটক ও প্রাবন্ধিক সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করেছেন। - এই পঙ্‌ক্তিটির মাধ্যমে কবি অপরাধীকে শুধু শাস্তি দেওয়াই নয়, বরং তার ভেতরের মানুষের প্রতি সহমর্মিতা প্রদর্শনের ওপর জোর দিয়েছেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিচারক যদি কেবল আইনের কঠোর প্রয়োগ করেন কিন্তু হৃদয়ের মানবতা ভুলে যান, তবে সেই বিচার সমাজে শান্তি আনতে পারে না। ব্যাখ্যা: এটি উক্ত কবিতার মূল ভাবকে বাস্তব জীবনের প্রেক্ষাপটে ফুটিয়ে তোলে। উদাহরণ ২: অপরাধীকে শুধরানোর জন্য ভালোবাসার প্রলেপ শাস্তি থেকেও বেশি কার্যকর হতে পারে। ব্যাখ্যা: এই বাক্যটি রবীন্দ্রনাথের মানবতার দর্শনের সঙ্গে পুরোপুরি সামঞ্জস্যপূর্ণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইসমাইল হোসেন সিরাজী — তিনি একজন মুসলিম রেনেসাঁ যুগের সাহিত্যিক ও ঔপন্যাসিক হলেও এই বিখ্যাত দার্শনিক পঙ্‌ক্তিটির রচয়িতা নন। B) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — এটি সঠিক উত্তর। C) কাজী নজরুল ইসলাম — তিনি বিদ্রোহী কবি হলেও এই নির্দিষ্ট দার্শনিক ও মানবিক পঙ্‌ক্তিটি তার কোনো কবিতার অংশ নয়। D) গোলাম মোস্তফা — তিনি একজন বিশিষ্ট কবি ও সীরাতকার হলেও এই পঙ্‌ক্তিটির সঙ্গে তার কোনো সাহিত্যকর্মের সংশ্লিষ্টতা নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: - বিচার ও কান্নার তুলনামূলক মানবিক পঙ্‌ক্তি দেখলেই মনে রাখবে এটি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গভীর দর্শনপ্রসূত রচনা। - রবীন্দ্রনাথের মানবিক কবিতার উদ্ধৃতিগুলো প্রায়ই বিসিএস পরীক্ষায় আসে, তাই এ ধরনের পঙ্‌ক্তি ভালোভাবে চর্চা করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সাহিত্যিক উদ্ধৃতিভিত্তিক প্রশ্নগুলোর ক্ষেত্রে মূল কবির নাম এবং তার লেখার মূল সুর ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে। - এই ধরনের নৈতিক ও দার্শনিক পঙ্‌ক্তি প্রায়শই বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পুনরাবৃত্তি হয়।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0