প্রশ্নের বর্ণনা

a নমঃ + কার
b নমস + কার
c ন + আকার
d ঘ.
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) নমঃ + কার ১. কেন সঠিক: - 'নমস্কার' শব্দটি বিসর্গ সন্ধির নিয়মে গঠিত হয়েছে। বিসর্গের পর ক, খ, প বা ফ থাকলে বিসর্গ স্থানে দন্ত-স হয়। - এখানে 'নমঃ' শব্দের বিসর্গের পর 'কার' শব্দের 'ক' বর্ণ থাকায় বিসর্গটি পরিবর্তিত হয়ে দন্ত-স (স্) রূপ লাভ করেছে এবং 'নমস্কার' শব্দটি গঠিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বিসর্গ সন্ধির একটি অন্যতম প্রধান নিয়ম হলো বিসর্গের সঙ্গে স্বরবর্ণ বা ব্যঞ্জনবর্ণের মিলন। ব্যঞ্জনসন্ধির মতোই এটি পদের বা শব্দের সংযোগ সহজ করে। - সংস্কর ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী বিসর্গের পরে যদি ক, খ, প, ফ থাকে তবে বিসর্গের স্থানে সাধারণত স হয়। এই নিয়মেই নমঃ যোগ কার সমান নমস্কার গঠিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পুরঃ + কার = পুরষ্কার ব্যাখ্যা: এখানে বিসর্গের পর ক থাকার কারণে বিসর্গ স্থানে স হয়েছে, যা নমস্কার শব্দের মতো একই সন্ধি নিয়মের আওতাধীন। উদাহরণ ২: ভায়ঃ + কর = ভাস্কর ব্যাখ্যা: বিসর্গের পর ক বর্ণ থাকার ফলে বিসর্গটি দন্ত-স এ রূপান্তরিত হয়ে ভাস্কর শব্দ গঠন করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নমঃ + কার — এটি সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ কারণ নিয়ম অনুযায়ী বিসর্গের পর ক থাকলে স হয়। B) নমস + কার — এটি ভুল কারণ এখানে প্রথম অংশে 'নমস' লিখে সরাসরি স যুক্ত করা হয়েছে, যা বিসর্গ সন্ধির মূল নিয়মের পরিপন্থী। C) ন + আকার — এটি সম্পূর্ণ অর্থহীন এবং ব্যাকরণের কোনো নিয়ম মেনে গঠিত হয়নি। D) ঘ. — এটি কোনো অপশন নয় বরং একটি প্রতীকী বা অনুপস্থিত অপশন যা প্রশ্নের সঠিক উত্তরের সঙ্গে মেলে না। ৫. মনে রাখার টিপস: - বিসর্গের পরে ক বা প দেখলে স যুক্ত করার নিয়মটি মনে রাখবে। - নমঃ শব্দের সঙ্গে কার যুক্ত হলে মাঝখানে একটি স আসে এই কৌশলটি মাথায় রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - এই ধরনের বিসর্গ সন্ধি থেকে বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - পুরস্কার, ভাস্কর এবং নমস্কার শব্দগুলোর সন্ধি বিচ্ছেদ বারবার চর্চা করলে পরীক্ষায় ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0