প্রশ্নের বর্ণনা

a কদম ফুল
b হিজল ফুল
c আজিকার রোদে
d ঘোলাটে মেঘ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) কদম ফুল ১. কেন সঠিক: - প্রশ্নে উল্লেখিত লাইনটি বাংলা সাহিত্যের বিখ্যাত বর্ষার কবিতা থেকে নেওয়া হয়েছে যেখানে কদম ফুলকে বর্ষার জলে নেচে হেসে কুটি কুটি হতে দেখা যায়। - কদম ফুল বর্ষাকালের অন্যতম প্রধান প্রতীক এবং বৃষ্টির পর এই ফুল প্রস্ফুটিত হয়ে প্রকৃতির সৌন্দর্য বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এই প্রশ্নটি বাংলা সাহিত্যের বিখ্যাত কবি সুফি আমীন আহমেদের বা বর্ষাকেন্দ্রিক কোনো জনপ্রিয় কবিতার রূপকধর্মী লাইন থেকে এসেছে যেখানে প্রকৃতির উপাদানকে মানবী বা জীবন্ত চরিত্র হিসেবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। - বর্ষার আগমনী বার্তা ও কদম ফুলের রূপের সঙ্গে বৃষ্টির ছাঁটের এক নান্দনিক ও কাব্যিক সংযোগ স্থাপন করা হয়েছে এই পক্তিতে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাদল দিনের প্রথম কদম ফুল করেছ দান ব্যাখ্যা: এটি জাতীয় কবি কাজী নজরুলের বর্ষার গানে কদম ফুলের রূপ ও গুরুত্ব ফুটিয়ে তোলার একটি সুন্দর উদাহরণ। উদাহরণ ২: সজল ধারায় ভিজে কদম হাসে থোকা থোকা ব্যাখ্যা: বর্ষাকালে কদম ফুলের প্রস্ফুটিত রূপ বর্ণনা করতে এই ধরনের কাব্যিক পংক্তি ব্যবহার করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কদম ফুল — এটি সঠিক উত্তর কারণ বর্ষার জলে ভেজা কদম ফুলের রূপের সঙ্গে এই পংক্তিটি পুরোপুরি মিলে যায়। B) হিজল ফুল — হিজল ফুল সাধারণত নদীমাতৃক বা জলাভূমির আশপাশে ফোটে এবং এর সঙ্গে এই নির্দিষ্ট পংক্তির কোনো সরাসরি সাহিত্যিক মিল নেই। C) আজিকার রোদে — প্রশ্নটিতে বাদলের জলের কথা বলা হয়েছে কিন্তু রোদের কথা বলা হয়নি তাই এই অপশনটি সম্পূর্ণ অসঙ্গত। D) ঘোলাটে মেঘ — মেঘ আকাশের বর্ষণের উৎস হলেও লাইনটিতে নদী বা জলের কণার মাঝে হাসার কথা বলা হয়েছে যা মেঘের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - বাদল বা বর্ষার জলের সঙ্গে সবসময় কদম ফুলকে মনে রাখবে কারণ কদম হলো বর্ষার রানীর মতো। - পরীক্ষার হলে বাদল ও কদম ফুল একসঙ্গে দেখলে এই বিশেষ কাব্যিক রূপটিকে মনে করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস বা শিক্ষক নিবন্ধনে প্রকৃতির রূপ ও বর্ষাকেন্দ্রিক কবিতা থেকে প্রায়ই এমন উদ্ধৃতি তুলে প্রশ্ন করা হয়। - কবি ও কবিতার পংক্তি ভালোভাবে মুখস্থ রাখলে পরীক্ষার হলে এমন উত্তর খুব সহজেই শনাক্ত করা সম্ভব।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0