প্রশ্নের বর্ণনা

a চক্ষুস্মান
b চক্ষুষ্মান
c চক্ষুশ্মান
d চক্ষুষ্মাণ
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) চক্ষুষ্মান ১. কেন সঠিক: - 'চক্ষু' শব্দের সঙ্গে 'মতুপ' বা 'বতুপ' প্রত্যয় যোগ করে বিশেষণ পদ গঠন করার সময় সঠিক নিয়ম অনুযায়ী 'ষ্মান' যুক্ত হয়। - বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী 'চক্ষু' শব্দের শেষে মূর্ধন্য ষ এবং ম এর নিচে ব-ফলা ব্যবহৃত হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - সংস্কৃতির নিয়ম অনুযায়ী উকারান্ত শব্দের পর 'মতুপ' প্রত্যয়ের ম স্থানে ষ এবং ত স্থানে ন হয়, ফলে 'ষ্মান' গঠিত হয়। - সন্ধি বা প্রত্যয়জনিত কারণে শব্দের বানানে মূর্ধন্য ষ এর ব্যবহার নিশ্চিত করতে হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জ্যোতিষ্মান ব্যাখ্যা: জ্যোতিঃ শব্দের সঙ্গে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে একই নিয়মে মূর্ধন্য ষ যুক্ত হয়ে এই বানানটি গঠিত হয়। উদাহরণ ২: বুদ্ধিম্মান ব্যাখ্যা: বুদ্ধি শব্দের সঙ্গে প্রত্যয় যোগের মাধ্যমে এই বিশেষ বানানরীতি সাধিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চক্ষুস্মান — এই বানানে মূর্ধন্য ষ এর পরিবর্তে দন্ত্য স ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। B) চক্ষুষ্মান — এটি সঠিক বানান এবং প্রশ্নানুসারে এটিই গ্রহণযোগ্য উত্তর। C) চক্ষুশ্মান — এই বানানে তালব্য শ এর ব্যবহার করা হয়েছে যা ভুল এবং নিয়মবহির্ভূত। D) চক্ষুষ্মাণ — এই বানানে মূর্ধন্য ণ ব্যবহার করা হয়েছে কিন্তু এখানে দন্ত্য ন হবে। ৫ মনে রাখার টিপস: - চক্ষু শব্দের শেষে সবসময় মূর্ধন্য ষ এবং ম এর নিচে ব-ফলা ব্যবহার করবে। - এই ধরনের প্রত্যয়যুক্ত শব্দে মূর্ধন্য ষ ও ন এর সঠিক অবস্থান মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রত্যয়জনিত বানান সংশোধনের প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - নিয়মের ধারাবাহিকতা মনে রাখলে এই ধরনের বানান সহজে নির্ণয় করা যায়।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0