প্রশ্নের বর্ণনা

a মুন্সিগঞ্জ
b বরিশাল
c ফরিদপুর
d চট্টগ্রাম
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বরিশাল ১. কেন সঠিক: বিজয়গুপ্ত মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের মঙ্গলকাব্যের অন্যতম ধারা মনসা মঙ্গল কাব্যের প্রখ্যাত কবি। তিনি বর্তমান বাংলাদেশের বরিশাল জেলার গৌরনদী উপজেলার কসবা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেছিলেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: কবি বিজয়গুপ্ত ১৫ শতকের শেষভাগে সুলতান হোসেন শাহের আমলকালে 'পদ্মপুরাণ' বা মনসামঙ্গল কাব্য রচনা করেন। তার কাব্যে সমসাময়িক সমাজের চিত্র এবং স্থানীয় ভূগোলের নিখুঁত বিবরণ পাওয়া যায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কৃত্তিবাস ওহাযা ব্যাখ্যা: মধ্যযুগের আরেক প্রখ্যাত কবি কৃত্তিবাস ওহাযা বাংলায় রামায়ন অনুবাদ করেছিলেন এবং তিনি পশ্চিমবঙ্গের নদিয়া অঞ্চলে জন্মগ্রহণ করেন। উদাহরণ ২: মুকুন্দরাম চক্রবর্তী ব্যাখ্যা: চণ্ডীমঙ্গলের খ্যাতনামা কবি মুকুন্দরাম চক্রবর্তী বর্ধমান জেলায় জন্মগ্রহণ করেছিলেন এবং তিনি মধ্যযুগের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মুন্সিগঞ্জ — মুন্সিগঞ্জ জেলায় মধ্যযুগের এই বিখ্যাত মনসামঙ্গল কাব্যের কবি জন্মগ্রহণ করেননি। এটি অন্য সাহিত্যিকদের জন্মস্থান হিসেবে পরিচিত। B) বরিশাল — এই অপশনটি সঠিক কারণ কবি বিজয়গুপ্ত বরিশালের গৌরনদী অঞ্চলে জন্মগ্রহণ করেছিলেন। C) ফরিদপুর — ফরিদপুর জেলায় কবি বিজয়গুপ্ত জন্মগ্রহণ করেননি, এটি অন্য কোনো মধ্যযুগের কবির জন্মস্থান নয়। D) চট্টগ্রাম — চট্টগ্রাম অঞ্চলের সাথে কবি বিজয়গুপ্তের জন্মস্থানের কোনো ঐতিহাসিক সংযোগ নেই। ৫ মনে রাখার টিপস: বিজয়গুপ্তের জন্মস্থান মনে রাখার জন্য মনে রাখতে হবে যে তিনি দক্ষিণাঞ্চলের বরিশাল জেলার গৌরনদীর সন্তান। মনসামঙ্গলের এই কবির জন্মস্থান প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: মনসামঙ্গল কাব্যের আদি কবি কে এবং কার জন্মস্থান কোথায়, তা বিসিএস পরীক্ষার জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ। মধ্যযুগের কবিদের জন্মস্থান ও তাদের শ্রেষ্ঠ কাব্যগ্রন্থের নাম ভালোভাবে পড়তে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0