প্রশ্নের বর্ণনা

a কাফেলা
b রক্তপদ্ম
c প্রফুল্ল
d চণ্ডালিকা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) চণ্ডালিকা ১. কেন সঠিক: - চণ্ডালিকা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত নৃত্যনাট্য এবং নাটকীয় রচনা যা ১৯৩৩ সালে প্রকাশিত হয়। - বৌদ্ধ উপাখ্যানের ওপর ভিত্তি করে রচিত এই নাটকে অস্পৃশ্যতা ও সামাজিক ভেদাভেদের বিরুদ্ধে মানুষের মর্যাদা প্রতিষ্ঠার বাণী প্রচার করা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যের এক অনন্য প্রতিভা যিনি কবিতা, ছোটগল্প, উপন্যাস ও নাটকের পাশাপাশি নৃত্যনাট্য ধারারও সফল স্রষ্টা ছিলেন। - তার নাট্যসাহিত্যকে মূলত কয়েকটি ধারায় ভাগ করা যায় যেমন কাব্যনাট্য, প্রতীকধর্মী নাটক, সামাজিক নাটক এবং নৃত্যনাট্য। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রক্তকরবী ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত প্রতীকধর্মী নাটক যা মানুষের ওপর যন্ত্রসভ্যতার শোষণের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ স্বরূপ রচিত। উদাহরণ ২: অচলায়থা ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের আরও একটি রূপকধর্মী বা প্রতীকধর্মী নাটক যেখানে সামাজিক গোঁড়ামি ও অন্ধসংস্কারের তীব্র সমালোচনা করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কাফেলা — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কোনো নাটক নয়, এটি একটি প্রখ্যাত সাহিত্যিক বা ভিন্ন লেখকের রচনার সঙ্গে সম্পর্কিত যা এই প্রশ্নের উত্তর নয়। B) রক্তপদ্ম — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কোনো নাটক বা কাব্যগ্রন্থের নাম নয়, তাই এটি সঠিক উত্তর হিসেবে বিবেচিত হতে পারে না। C) প্রফুল্ল — এটি গিরিশচন্দ্র ঘোষ রচিত একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও ধ্রুপদী সামাজিক নাটক, রবীন্দ্রনাথের নাটক নয়। D) চণ্ডালিকা — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি প্রখ্যাত নৃত্যনাট্য হওয়ায় এটিই এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর। ৫ মনে রাখার টিপস: - রবীন্দ্রনাথের নৃত্যনাট্যগুলো সহজে মনে রাখতে চণ্ডালিকা, শামা ও চিত্রাঙ্গদা এই তিনটি নাম একসঙ্গে একটি ছন্দে মনে রাখতে পারো। - নাটকের উৎস মনে রাখার জন্য মনে রাখবে রবীন্দ্রনাথের নৃত্যনাট্যগুলোর বেশিরভাগই পৌরাণিক বা বৌদ্ধ কাহিনীর ওপর ভিত্তি করে রচিত। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই রবীন্দ্রনাথের নাটক ও নৃত্যনাট্য থেকে প্রশ্ন আসে, তাই প্রতীকধর্মী নাটক এবং নৃত্যনাট্যগুলোর তালিকা আলাদা করে পড়া জরুরি। - গিরিশচন্দ্র ঘোষের প্রফুল্ল এবং মীর মশাররফ হোসেনের জমিদার দর্পণ নাটকের রচয়িতা কারা, তা প্রায়ই পরীক্ষার অপশনে বিভ্রান্তি তৈরি করতে আসে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0