প্রশ্নের বর্ণনা

a বড়ু চণ্ডীদাস
b বিদ্যাপতি
c জ্ঞানদাস
d চণ্ডীদাস
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বিদ্যাপতি ১. কেন সঠিক: - 'কীর্তিলতা' গ্রন্থটির রচয়িতা মধ্যযুগের বিখ্যাত পদকর্তা এবং মৈথিলি কোকিল হিসেবে পরিচিত বিদ্যাপতি। - এটি অবহট্ঠ ভাষায় রচিত একটি ঐতিহাসিক ও প্রামাণিক গ্রন্থ, যা তৎকালীন সমাজ ও রাজনীতির পরিচয় বহন করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বিদ্যাপতি মূলত মৈথিলি ভাষার কবি হলেও বাংলা সাহিত্য ও বৈষ্ণব পদাবলির ইতিহাসে তাঁর অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। - তাঁর রচিত 'কীর্তিলতা' এবং 'কীর্তিপটাকা' অবহট্ঠ ভাষায় রচিত ঐতিহাসিক গ্রন্থ, অন্যদিকে তিনি ব্রজবুলি ভাষায় অসংখ্য পদ রচনা করেছেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিদ্যাপতির পদাবলি ব্যাখ্যা: বিদ্যাপতি রাধা ও কৃষ্ণের প্রেমলীলা নিয়ে ব্রজবুলি ভাষায় প্রচুর পদ রচনা করেছেন, যা বাংলা বৈষ্ণব পদাবলির প্রাণস্বরূপ। উদাহরণ ২: অবহট্ঠ ভাষা ব্যাখ্যা: প্রাকৃত ও অপভ্রংশ ভাষার পরবর্তী স্তর হলো অবহট্ঠ, যে ভাষায় বিদ্যাপতি তাঁর কীর্তিলতা গ্রন্থটি রচনা করেছিলেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বড়ু চণ্ডীদাস — বড়ু চণ্ডীদাস মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের প্রথম নিদর্শন 'শ্রীকৃষ্ণকীর্তন' কাব্যের রচয়িতা, 'কীর্তিলতা'র নন। B) বিদ্যাপতি — প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি এই অপশনের সঙ্গে সম্পূর্ণভাবে মিলে যায় এবং এটি পরীক্ষিত সত্য। C) জ্ঞানদাস — জ্ঞানদাস মধ্যযুগের একজন অন্যতম শ্রেষ্ঠ বৈষ্ণব পদকর্তা, তবে তিনি 'কীর্তিলতা' গ্রন্থের রচয়িতা নন। D) চণ্ডীদাস — চণ্ডীদাস মধ্যযুগের বৈষ্ণব পদাবলির বিখ্যাত কবি, যাঁকে নিয়ে বাংলা সাহিত্যে একাধিক কবির অস্তিত্ব নিয়ে বিতর্ক রয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - কীর্তিলতা গ্রন্থটির নামের সঙ্গে বিদ্যাপতি নামটি মনে রাখতে পারেন এভাবে যে মৈথিলি কোকিল কীর্তি অর্জনের জন্য অবহট্ঠ ভাষায় এই গ্রন্থ লিখেছিলেন। - বিদ্যাপতি মানেই ব্রজবুলি পদ এবং অবহট্ঠ ভাষার কীর্তিলতা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে কীর্তিলতা কোন ভাষার গ্রন্থ, যার উত্তর হবে অবহট্ঠ ভাষা। - একই সঙ্গে বিদ্যাপতি কোন ভাষার কবি, তা মনে রাখতে হবে যে তিনি মূলত মৈথিলি ভাষার কবি হলেও বাংলা সাহিত্যে তাঁর প্রভাব অপরিসীম।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0