প্রশ্নের বর্ণনা

a কাশীরাম দাস
b কৃত্তিবাস ওঝা
c বাল্মীকি
d চন্দ্রাবতী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কৃত্তিবাস ওঝা ১. কেন সঠিক: বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের আদি ও অন্যতম প্রধান অনুবাদক কৃত্তিবাস ওঝা সংস্কৃত মহাকাব্য রামায়ণ বাংলায় অনুবাদ করেন। তাঁর এই অনুবাদ বাংলা ভাষায় রামায়ণ চর্চার ক্ষেত্রে মাইলফলক এবং এটি ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: কৃত্তিবাস ওঝা পঞ্চদশ শতাব্দীর একজন বিশিষ্ট কবি এবং অনুবাদক হিসেবে বাংলা সাহিত্যে চিরস্মরণীয় হয়ে আছেন। গৌড়েশ্বর সুলতানের নির্দেশে বা অনুরোধে তিনি সংস্কৃত রামায়ণ বাংলায় পদ্যে রূপান্তর করেন যা কৃত্তিবাসী রামায়ণ নামে পরিচিত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কৃত্তিবাসী রামায়ণ ব্যাখ্যা: এটি কৃত্তিবাস ওঝার অমর অনুবাদ কীর্তি যা বাঙালি সমাজে রামকথা প্রচারে প্রধান ভূমিকা রেখেছিল। উদাহরণ ২: শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্য ব্যাখ্যা: এটি বড়ু চণ্ডীদাস রচিত মধ্যযুগের আরেকটি অন্যতম প্রধান নিদর্শন যা বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস সমৃদ্ধ করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কাশীরাম দাস — ইনি মহাভারত কাব্যের শ্রেষ্ঠ অনুবাদক, রামায়ণের নন। B) কৃত্তিবাস ওঝা — এই অপশনটি সঠিক এবং ইনি রামায়ণের শ্রেষ্ঠ অনুবাদক। C) বাল্মীকি — ইনি মূল সংস্কৃত রামায়ণের আদি রচয়িতা, বাংলায় অনুবাদক নন। D) চন্দ্রাবতী — ইনি বাংলা সাহিত্যের প্রথম নারী কবি যিনি রামায়ণের একটি অংশ বা সীতাকেন্দ্রিক পালা রচনা করেছিলেন। ৫. মনে রাখার টিপস: রামায়ণ লিখেছেন কৃত্তিবাস আর মহাভারত লিখেছেন কাশীরাম, এই দুটি নাম মনে রাখার জন্য মহাভারতের 'ম' আর কাশীরামের 'ম' মিলিয়ে নিতে পারো। আর রামায়ণের 'র' দিয়ে কৃত্তিবাসের সঙ্গে মিলিয়ে পড়া সহজ হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: মধ্যযুগের অনুবাদ সাহিত্যে রামায়ণের জন্য কৃত্তিবাস ওঝা এবং মহাভারতের জন্য কাশীরাম দাস অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নাম। বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই দুই কবির অনুবাদকর্ম সম্পর্কে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0