প্রশ্নের বর্ণনা

a নিশাপতি
b চাঁদিনী
c কৌমুদী
d চন্দ্রিকা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) নিশাপতি ১. কেন সঠিক: নিশাপতি শব্দটি দুটি পদের সমন্বয়ে গঠিত, নিশা অর্থাৎ রাত্রি এবং পতি অর্থাৎ স্বামী বা অধিপতি। রাত্রির স্বামী বা অধিপতি হিসেবে চাঁদকে নিশাপতি বলা হয়, কারণ চাঁদ শুধু রাতেই আলো ছড়ায় এবং রাতের আকাশে তারার মধ্যে চাঁদ প্রধান। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: শব্দের উৎস ও সমার্থক শব্দের ক্ষেত্রে শব্দের বুৎপত্তিগত অর্থ জানা অত্যন্ত জরুরি। নিশা শব্দের অর্থ রাত্রি এবং পতি শব্দের অর্থ প্রভু বা স্বামী, তাই সমাস বা অর্থগত বিচারে নিশাপতি হলো চন্দ্রের একটি সুন্দর ও প্রমিত প্রতিশব্দ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শশাঙ্ক ব্যাখ্যা: শশাঙ্ক শব্দের অর্থ যার অঙ্কে বা কোডে শস বা খরগোশের চিহ্ন আছে, অর্থাৎ চাঁদ। উদাহরণ ২: সুধাংশু ব্যাখ্যা: সুধাংশু শব্দের অর্থ যার অংশ থেকে সুধা বা অমৃত বর্ষিত হয়, এটিও চাঁদের একটি বিখ্যাত সমার্থক শব্দ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নিশাপতি — এটি চাঁদের সঠিক সমার্থক শব্দ এবং রাতের অধিপতি অর্থে এটি চাঁদকে বোঝায়। B) চাঁদিনী — এটি চাঁদিনী রাত বা চাঁদের জ্যোৎস্নাকে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, সরাসরি চাঁদকে বোঝায় না। C) কৌমুদী — কৌমুদী শব্দের অর্থ চাঁদের জোছনা বা জ্যোৎস্না, এটি চাঁদের আলো বোঝায় চাঁদ নিজে নয়। D) চন্দ্রিকা — চন্দ্রিকা অর্থ চাঁদের জোছনা বা প্রভা, এটি চাঁদের আলো নির্দেশ করে কিন্তু চাঁদ নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: রাতের আলো বা রাতের প্রভু যারা তাদের নামগুলো চাঁদের সমার্থক হিসেবে মনে রাখা যায়। নিশা অর্থ রাত এবং পতি অর্থ অধিপতি, তাই রাতের প্রধান বা অধিপতি হিসেবে নিশাপতি মানে চাঁদ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই চাঁদের সমার্থক শব্দ থেকে প্রশ্ন আসে যেমন সুধাংশু, শশাঙ্ক, বিধু, নিশাকর। জ্যোৎস্না বা চাঁদের আলোর সমার্থক শব্দের সঙ্গে চাঁদের নিজস্ব সমার্থক শব্দ গুলিয়ে ফেলা যাবে না, যেমন চন্দ্রিকা বা কৌমুদী মানে আলো আর নিশাপতি বা শশাঙ্ক মানে চাঁদ।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0