প্রশ্নের বর্ণনা

a চাষ+ই
b চাষ+ঈ
c চষ+ই
d চাষী+ই
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) চাষ+ঈ ১. কেন সঠিক: - ‘চাষী’ শব্দটির সঠিক প্রকৃতি ও প্রত্যয় হলো চাষ যোগ ঈ। এখানে ‘চাষ’ হলো শব্দমূল বা প্রাতিপদিক এবং ‘ঈ’ হলো তদ্ধিত প্রত্যয়। - বিশেষ বিশেষ ক্ষেত্রে বিশেষ্য শব্দের সঙ্গে তদ্ধিত প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নতুন বিশেষ্য বা বিশেষণ পদ গঠন করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বিশেষ্য বা সর্বনাম পদের সঙ্গে যে প্রত্যয় যুক্ত হয় তাকে তদ্ধিত প্রত্যয় বলে। বাংলা ভাষায় বিশেষ অর্থে ‘ঈ’ প্রত্যয় যোগ করে বৃত্তিমূলক বা পেশাবাচক শব্দ তৈরি করা হয়। - ‘চাষ’ শব্দের সঙ্গে দীর্ঘ ঈ (ঈ) প্রত্যয় যুক্ত হয়ে বৃত্তিমূলক বা পেশাবাচক শব্দ ‘চাষী’ গঠিত হয়েছে, যার অর্থ যে চাষ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ঢাকাই ব্যাখ্যা: ঢাকা শব্দের সঙ্গে দীর্ঘ ঈ (ঈ) প্রত্যয় যুক্ত হয়ে স্থানবাচক বিশেষণ ‘ঢাকাই’ শব্দটি গঠিত হয়েছে। উদাহরণ ২: তেলাচি ব্যাখ্যা: তেল শব্দের সঙ্গে দীর্ঘ ঈ (ঈ) প্রত্যয় যুক্ত হয়ে বিশেষত্ব বা গুণবাচক শব্দ গঠিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চাষ+ই — এখানে ‘ই’ প্রত্যয়টি ব্যবহার করা হয়েছে যা প্রমিত ব্যাকরণ অনুযায়ী সঠিক নয় কারণ দীর্ঘ ‘ঈ’ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে এই পেশাবাচক শব্দ গঠিত হয়। B) চাষ+ঈ — এটি সঠিক উত্তর এবং সঠিক প্রকৃতি ও প্রত্যয় নির্দেশ করে। C) চষ+ই — ‘চষ’ হলো ধাতু কিন্তু চাষী শব্দটি কৃৎ প্রত্যয় সাধিত নয় বরং তদ্ধিত প্রত্যয় সাধিত শব্দ। D) চাষী+ই — এখানে পুরো শব্দটিকে প্রকৃতি হিসেবে ধরে আবার প্রত্যয় যুক্ত করা হয়েছে যা ব্যাকরণসম্মত নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - কোনো বৃত্তিমূলক বা পেশাবাচক শব্দ যেমন চাষী, মেথর, দর্জি ইত্যাদি নির্ণয়ের সময় মূল শব্দের সঙ্গে দীর্ঘ ঈ কার যুক্ত প্রত্যয় বিবেচনা করবে। - মনে রাখবে বাংলা ব্যাকরণে তদ্ধিত প্রত্যয়ের ক্ষেত্রে দীর্ঘ ঈ প্রত্যয় পেশা বা বৃত্তির সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রকৃতি ও প্রত্যয় থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে, বিশেষ করে তদ্ধিত প্রত্যয় চেনার নিয়ম গুরুত্বপূর্ণ। - এই ধরনের শব্দ বিশ্লেषণের সময় শব্দটির মূল রূপ এবং কোন অর্থে প্রত্যয়টি যুক্ত হয়েছে তা লক্ষ্য রাখতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0