প্রশ্নের বর্ণনা

a রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান
b রাধাকৃষ্ণ লীলা বিষয়ক কাব্য
c ধর্মীয় তত্ত্বের গ্রন্থ
d চৈতন্য জীবনীমূলক গ্রন্থ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ধর্মীয় তত্ত্বের গ্রন্থ ১. কেন সঠিক: 'শূন্যপুরাণ' মূলত ধর্মপূজা বা বৌদ্ধ ধর্মের অবক্ষয়াচ্ছন্ন এক শাখা সম্পর্কিত তত্ত্ব ও আচার-অনুষ্ঠানমূলক গ্রন্থ। ড. রামিষ পণ্ডিত এই গ্রন্থের রচয়িতা এবং এতে বৌদ্ধ ধর্মের শূন্যবাদ ও সৃষ্টির তত্ত্ব আলোচনা করা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: গ্রন্থটি বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের আদি নিদর্শন চর্যাপদের ঠিক পরের যুগের অর্থাৎ অন্ধকার যুগের বা সেন আমলের সাহিত্যকর্ম। এতে ধর্ম ঠাকুরের পূজা পদ্ধতি এবং পৌরাণিক নানা আখ্যানের সংমিশ্রণে বৌদ্ধ সংস্কৃতির রূপ প্রকাশ পেয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শ্রীকৃষ্ণকীর্তন ব্যাখ্যা: এটি রাধাকৃষ্ণ লীলা বিষয়ক কাব্য এবং বরু চণ্ডীদাস রচিত মধ্যযুগের একটি নিদর্শন। উদাহরণ ২: পদ্মাবতী ব্যাখ্যা: এটি রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান ধারার মহাকাব্যের মতো রচনা এবং এটি সৈয়দ আলাওল রচনা করেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান — শূন্যপুরাণ কোনো প্রণয়মূলক বা প্রেমের গল্পভিত্তিক কাব্য নয় বরং এটি ধর্মীয় আচার ও তত্ত্বমূলক গ্রন্থ। B) রাধাকৃষ্ণ লীলা বিষয়ক কাব্য — রাধাকৃষ্ণ লীলা বিষয়ক কাব্য হলো শ্রীকৃষ্ণকীর্তন বা বৈষ্ণব পদাবলি, শূন্যপুরাণ তা নয়। D) চৈতন্য জীবনীমূলক গ্রন্থ — চৈতন্য জীবনীমূলক গ্রন্থ হলো শ্রীচৈতন্যচরিতামৃত বা চৈতন্যভাগবত, যা শূন্যপুরাণ থেকে সম্পূর্ণ আলাদা। ৫. মনে রাখার টিপস: শূন্যপুরাণ শব্দটি দেখলে মনে রাখবে এটি রামাই পণ্ডিতের লেখা ধর্ম ঠাকুরের পূজা সংক্রান্ত অর্থাৎ একটি ধর্মীয় তত্ত্বের গ্রন্থ। চর্যাপদের পর ধর্মীয় শূন্যবাদ ও আচার বুঝতে শূন্যপুরাণ নামটি মনে রাখা সহজ কৌশল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: শূন্যপুরাণের রচয়িতা রামাই পণ্ডিত এবং এটি নিরঞ্জন কি পত্তলিকা অংশের জন্য বিখ্যাত। মধ্যযুগের অন্যান্য ধর্মীয় গ্রন্থ যেমন শূন্যপুরাণ বা মনসা মঙ্গল কাব্যগুলোর মূল বিষয়বস্তু এবং রচয়িতাদের নাম ভালোভাবে পড়তে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0