প্রশ্নের বর্ণনা

a চর্যাপদ
b গীতগোবিন্দ
c পদার্বলী
d চৈতন্যজীবনী
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) চর্যাপদ ১. কেন সঠিক: - চর্যাপদে আলো-আঁধারি বা সন্ধার ভাষার ব্যবহার করা হয়েছে, যা সাধনসঙ্গীতের রূপক অর্থ প্রকাশ করে। - এই বিশেষ ভাষাকে মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী সান্ধ্যভাষা বলে অভিহিত করেছিলেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - চর্যাপদ বাংলা ভাষার প্রাচীনতম কাব্য ও নিদর্শন, যা মূলত বৌদ্ধ সহজিয়াদের সাধনসঙ্গীত। - ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় একে সন্ধ্যাভাষা বলেছেন, যার অর্থ আলো-আঁধারি ভাষা। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শুই শুই হাঁড়ি ইণি বাঁএ নড়ঢ়া - চর্যাপদের একটি বিখ্যাত পংক্তি। ব্যাখ্যা: এই পংক্তিগুলোতে রূপকের মাধ্যমে তাত্ত্বিক ও সাধনবিষয়ক গভীর অর্থ প্রকাশ করা হয়েছে। উদাহরণ ২: তরুবর পঞ্চ বিড়াল চঞ্চল চিয় পইঠা কাল - চর্যাপদের আরেকটি বহুল প্রচলিত উদাহরণ। ব্যাখ্যা: এখানে পঞ্চ ইন্দ্রিয়কে পাঁচটি ডালপালার সঙ্গে তুলনা করে সান্ধ্যভাষার চমৎকার প্রয়োগ দেখানো হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চর্যাপদ — এটি সঠিক উত্তর। B) গীতগোবিন্দ — এটি জয়দেব রচিত সংস্কৃত কাব্য, যেখানে কোনো সান্ধ্যভাষা নেই। C) পদাবলী — এটি মধ্যযুগের বৈষ্ণব পদাবলী সাহিত্য, যা রাধা ও কৃষ্ণের প্রেমের গান। D) চৈতন্যজীবনী — এটি শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর জীবনভিত্তিক মধ্যযুগের জীবনীসাহিত্য। ৫ মনে রাখার টিপস: - চর্যাপদ মানেই আলো-আঁধারি বা সান্ধ্যভাষা। - চর্যাপদের আবিষ্কারক হরপ্রসাদ শাস্ত্রী এর ভাষা নাম দিয়েছিলেন সান্ধ্যভাষা। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় চর্যাপদের ভাষার নাম ও আবিষ্কারক সম্পর্কে বারবার প্রশ্ন আসে। - সান্ধ্যভাষা তত্ত্বটি হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0