প্রশ্নের বর্ণনা

a আঠারটি
b চব্বিশটি
c বত্রিশটি
d ছত্রিশটি
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ছত্রিশটি ১. কেন সঠিক: হিন্দু পৌরাণিক শাস্ত্র অনুসারে মহর্ষি বেদব্যাস রচিত মহাপুরাণের মোট সংখ্যা ছত্রিশটি বা অষ্টাদশ মহাশক্তি ও অন্যান্য উপপুরাণ মিলিয়ে পুরাণের নির্দিষ্ট সংখ্যা ধরা হয়। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পুরাণ সংখ্যা সংক্রান্ত প্রশ্নে মহাপুরাণ এবং উপপুরাণ মিলিয়ে মোট সংখ্যা ছত্রিশটি হিসেবে গণ্য করা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: পুরাণ প্রাচীন ভারতীয় সাহিত্য ও সংস্কৃতির অন্যতম প্রধান উৎস যা সৃষ্টিতত্ত্ব, রাজবংশ ও ঐতিহাসিক উপাখ্যান বহন করে। সংস্কৃত ভাষায় রচিত পুরাণগুলোতে সৃষ্টির আদিকথা, দেবদেবীর লীলানিউ এবং প্রাচীন ঋষিদের বংশপরিচয় বিস্তারিতভাবে বর্ণিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শ্রীমদ্ভগবদ্গীতা ও মহাভারত ব্যাখ্যা: এগুলো প্রাচীন ভারতীয় পৌরাণিক কাহিনীর সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত মহাকাব্যিক সাহিত্য। উদাহরণ ২: বিষ্ণুপুরাণ ও শিবপুরাণ ব্যাখ্যা: এগুলো নির্দিষ্ট দেবতার মাহাত্ম্য প্রচারকারী প্রধান পুরাণগুলোর অন্যতম উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আঠারটি — এটি কেবল মহাপুরাণের সংখ্যা, কিন্তু প্রশ্নের চাহিদা অনুযায়ী মোট পুরাণের সংখ্যা বোঝাতে এটি অপ্রতুল। B) চব্বিশটি — এটি কোনো নির্দিষ্ট প্রমিত পুরাণ সংখ্যার সঙ্গে ব্যাকরণগত বা সাহিত্যিক বিচারে মেলে না। C) বত্রিশটি — এটি পুরাণ সংখ্যার গণনায় সঠিক কোনো সনাতন বা পৌরাণিক প্রামাণ্য হিসাব নয়। D) ছত্রিশটি — এটি মহাপুরাণ ও উপপুরাণের সমন্বিত মোট সংখ্যা হিসেবে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় গৃহীত হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: মহাপুরাণ আঠারোটি আর তার দ্বিগুণ অর্থাৎ ছত্রিশটি হলো পুরাণের মোট সংখ্যা। এই দ্বিগুণ সম্পর্কের সূত্রটি মনে রাখলে পরীক্ষার হলে সঠিক সংখ্যাটি সহজে মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: পুরাণ সংক্রান্ত প্রশ্নে মহাশক্তি বা মহাপুরাণ বললে আঠারোটি এবং সাধারণ অর্থে মোট পুরাণের সংখ্যা বললে ছত্রিশটি দাগাতে হয়। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের সংখ্যাভিত্তিক সাহিত্যিক প্রশ্নে বিভ্রান্তি এড়াতে প্রমিত মান অনুসরণ করতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0