প্রশ্নের বর্ণনা

a দুই
b তিন
c চার
d ছয়
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ছয় ১. কেন সঠিক: - বাংলায় সমাস প্রধানত ছয় প্রকার। ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী অর্থের পারস্পরিক সম্পর্কযুক্ত একাধিক পদের একপদীকরণকে সমাস বলে। - বাক্যের সংক্ষিপ্তকরণ এবং সুন্দর প্রকাশই সমাসের মূল কাজ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সমাস শব্দের অর্থ সংক্ষেপণ, মিলন বা একাধিক পদের একপদীকরণ। বাংলা ব্যাকরণে পদ প্রধানত ছয়টি ভাগে বিভক্ত। - এই ছয় প্রকার সমাস হলো দ্বন্দ্ব, কর্মধারয়, তৎপুরুষ, বহুব্রীহি, দ্বিগু ও অব্যয়ীভাব সমাস। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মাতা ও পিতা = মাতাপিতুল ব্যাখ্যা: এটি দ্বন্দ্ব সমাসের উদাহরণ যেখানে উভয় পদের অর্থ প্রধান থাকে। উদাহরণ ২: সিংহ চিহ্নিত আসন = সিংহাসন ব্যাখ্যা: এটি মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাসের উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দুই — সমাস দুই প্রকার নয়। তবে অর্থের প্রধানতার ওপর ভিত্তি করে সমাস মূলত চার প্রকার বলা হলেও ব্যাকরণে প্রাতিষ্ঠানিকভাবে ছয় প্রকার ধরা হয়। B) তিন — সমাস তিন প্রকার নয়। এই সংখ্যাটি সমাসের প্রচলিত শ্রেণিবিভাগের সঙ্গে মেলে না। সি) চার — কোনো কোনো পন্ডিত অর্থের প্রধানতার দিক থেকে সমাসকে চার ভাগে ভাগ করলেও প্রমিত ব্যাকরণে সমাস ছয় প্রকার। D) ছয় — এই অপশনটি সঠিক কারণ বাংলা ব্যাকরণে সমাসের সর্বজনগ্রাহ্য ও প্রমিত সংখ্যা হলো ছয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - সমাসের প্রকারভেদ মনে রাখার ছন্দ হলো দ্বন্দ্ব কর্মে তৎপুরুষ বহুব্রীহি দ্বিগু অবয়ব। এখানে অবয়ব বলতে অব্যয়ীভাব সমাসকে বোঝানো হয়েছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সমাস কত প্রকার আসলে উত্তর ছয় দিতে হবে। তবে যদি প্রশ্ন থাকে প্রধানত কত প্রকার, তখন চার উত্তর হতে পারে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0