প্রশ্নের বর্ণনা

a শোকানল
b রাঙামাটি
c তেপান্তর
d ছায়াতরু
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ছায়াতরু ১. কেন সঠিক: ছায়াতরু শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো ছায়া প্রদানকারী তরু। এখানে মাঝের প্রদানকারী পদটি লোপ পেয়ে সমস্তপদ গঠিত হয়েছে। মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাসের নিয়মানুসারে সমাসবদ্ধ হওয়ার সময় পদের মাঝের পদ বা পদগুলো লুপ্ত হয়। এই শব্দটিতে ব্যাসবাক্যের মধ্যস্থিত পদটি লোভ পাওয়ায় এটি এই সমাসের সঠিক দৃষ্টান্ত। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: যে কর্মধারয় সমাসের ব্যাসবাক্যের মাঝের পদ বা পদগুচ্ছ সমস্তপদ গঠনের সময় লোপ পায়, তাকে মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস বলে। এই সমাসে পরপদের অর্থ প্রধানরূপে প্রতীয়মান হয়। ব্যাসবাক্যের প্রথম পদ বা পূর্বপদ এবং শেষ পদ বা পরপদ অপরিবর্তিত থাকে কিন্তু মাঝের সহায়ক পদটি সম্পূর্ণ উধাও হয়ে যায়। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই সমাস থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পলান্ন ব্যাখ্যা: পল মিশ্রিত অন্ন ব্যাসবাক্যের মিশ্রিত শব্দটি লোপ পেয়ে পলান্ন সমস্তপদ গঠিত হয়েছে। উদাহরণ ২: জয়সূচক পতাকা ব্যাখ্যা: জয়সূচক যে পতাকা ব্যাসবাক্যের যে শব্দটি লুপ্ত হয়ে সমস্তপদ তৈরি হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শোকানল — শোক রূপ অনল হওয়ায় এটি রূপক কর্মধারয় সমাসের দৃষ্টান্ত, মধ্যপদলোপী কর্মধারয় নয়। B) রাঙামাটি — রাঙা যে মাটি বা রক্তিম যে মাটি কর্মধারয় সমাস হলেও এটি মধ্যপদলোপী নয়, সাধারণ কর্মধারয় সমাস। C) তেপান্তর — তিন প্রান্তের সমাহার হওয়ায় এটি দীঘু সমাসের দৃষ্টান্ত, মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস নয়। D) ছায়াতরু — ছায়া প্রদানকারী তরু ব্যাসবাক্যের মাঝের অংশ লোপ পাওয়ায় এটি মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাসের সঠিক উত্তর। ৫. মনে রাখার টিপস: ব্যাসবাক্যের মাঝে যদি কোনো ক্রিয়াপদ বা বিশেষ সংযোগকারী শব্দ যেমন প্রদানকারী, মিশ্রিত, হীন ইত্যাদি থাকে এবং সমস্তপদে তা না থাকে, তবে তা মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস হবে। পরীক্ষায় ব্যাসবাক্য মনে মনে বিস্তার করে মাঝের পদটি খুঁজে দেখার অভ্যাস করলে খুব সহজেই উত্তর করা সম্ভব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস এবং সাধারণ কর্মধারয় সমাসের পার্থক্য ভালো করে বুঝতে হবে। বই, পলান্ন, মধুমাখা, মোমবাতি ইত্যাদি শব্দগুলো বিসিএস পরীক্ষার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ এবং এগুলো বারবার অনুশীলন করতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0