প্রশ্নের বর্ণনা

a বন +পতি = বনস্পতি (বনঃ+পতি)
b অহঃ+রহঃ = অহরহ
c সং+সার=সংসার
d ছেলে+মি= ছেলেমি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বন +পতি = বনস্পতি (বনঃ+পতি) ১. কেন সঠিক: নিपातনে সিদ্ধ সন্ধির নিয়মে বন শব্দের পর পতি শব্দ যুক্ত হয়ে বনস্পতি শব্দটি গঠিত হয়। এটি সাধারণ কোনো ব্যাকরণগত নিয়মের অধীনে না পড়ে প্রাকৃতিকভাবে বা নিপাতনে সিদ্ধ হয়ে সাধিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: যেসব সন্ধি সাধারণ কোনো ব্যাকরণগত নিয়ম বা সূত্রের সাহায্যে ব্যাকরণবদ্ধ করা যায় না, সেগুলোকে নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি বলা হয়। এই সন্ধিগুলো প্রচলিত নিয়ম বহির্ভূতভাবে সাধিত হয় বলে এদের রূপ সরাসরি মুখস্থ রাখতে হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অহঃ + রহঃ = অহরহ ব্যাখ্যা: বিসর্গ সন্ধির একটি বিশেষ নিয়মে অহঃ এবং রহঃ মিলে অহরহ শব্দটি গঠিত হয়েছে। উদাহরণ ২: বৃহস্পতি = বৃহৎ + পতি ব্যাখ্যা: এটিও বনস্পতির মতো নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধির একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বন +পতি = বনস্পতি (বনঃ+পতি) — এটি সঠিক অপশন এবং নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধির নিয়মে সাধিত হয়েছে। B) অহঃ+রহঃ = অহরহ — এটি বিসর্গ সন্ধির নিয়মে সাধিত হলেও প্রদত্ত প্রশ্নের মূল উত্তরের সঙ্গে মিলছে না। C) সং+সার=সংসার — এটি ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়মে সাধিত, যা প্রশ্ন প্রদত্ত সঠিক উত্তরের অপশন বিন্যাসের বাইরে। D) ছেলে+মি= ছেলেমি — এটি সন্ধির কোনো নিয়ম নয়, বরং প্রত্যয় যোগে গঠিত একটি শব্দ। ৫ মনে রাখার টিপস: নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধির শব্দগুলো যেমন বনস্পতি, বৃহস্পতি, অহরহ ইত্যাদি আলাদাভাবে তালিকা তৈরি করে নিয়মিত চর্চা করতে হবে। ব্যাকরণের অন্য কোনো সাধারণ নিয়ম এখানে কাজ করে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। বিশেষ করে বনস্পতি, বৃহস্পতি, পরস্পর, মনগড়া এই শব্দগুলোর সন্ধি বিচ্ছেদ বারবার পরীক্ষার্থীদের মুখোমুখি হতে হয়।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0