প্রশ্নের বর্ণনা

a জগৎ + ঈশ
b জগৎ + দীশ
c জগ + ঈশ
d জগ + দীশ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) জগৎ + ঈশ ১. কেন সঠিক: - ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়ম অনুযায়ী বর্গীয় ধ্বনির প্রথম ধ্বনির পরে স্বরধ্বনি থাকলে প্রথম ধ্বনিটি তার নিজ বর্গের তৃতীয় ধ্বনিতে পরিণত হয়। - জগৎ শব্দের অন্তে ত এবং ঈশ শব্দের আদিতে ঈ থাকার কারণে ত পরিবর্তিত হয়ে দ এ পরিণত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ক, চ, ট, ত, প এই পাঁচটি ধ্বনি হলো বর্গের প্রথম ধ্বনি এবং এদের পরে স্বরধ্বনি বা ঘোষ ধ্বনি থাকলে এগুলো যথাক্রমে গ, জ, ড, দ, ব এ রূপান্তরিত হয়। - এই নিয়মে ত বা দ এর পরে স্বরধ্বনি বা বর্গের তৃতীয় বা চতুর্থ ধ্বনি থাকলে ত বা দ স্থানে দ হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাগীশ = বাক + ঈশ ব্যাখ্যা: ক এর পরে স্বরধ্বনি থাকায় ক পরিবর্তিত হয়ে গ হয়েছে। উদাহরণ ২: সদ্ভাব = সৎ + ভাব ব্যাখ্যা: ত এর পরে ঘোষ ধ্বনি ভ থাকায় ত পরিবর্তিত হয়ে দ হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জগৎ + ঈশ — এটি সঠিক কারণ ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী সঠিক সন্ধিবিচ্ছেদ গঠন করে। B) জগৎ + দীশ — দীশ বলে কোনো শব্দ বাংলায় নেই তাই এই অপশন ভুল। C) জগ + ঈশ — জগ কোনো অর্থপূর্ণ শব্দ নয় এবং মূল শব্দ জগৎ নষ্ট হয়েছে। D) জগ + দীশ — জগ ও দীশ উভয় অংশই ব্যাকরণগতভাবে ত্রুটিপূর্ণ। ৫. মনে রাখার টিপস: - জগদীশ শব্দটি ভাঙলে প্রথমে জগৎ হবে এবং ঈশ বানරে দীর্ঘ ঈ হবে। - বর্গের প্রথম ধ্বনির সাথে স্বরধ্বনির মিলনে তৃতীয় ধ্বনি আসার এই নিয়মটি খুব ভালোভাবে চর্চা করতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ত-সন্ধি থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - একই নিয়মে বিপৎসংকেত বা দিগন্ত শব্দগুলোর সন্ধিবিচ্ছেদ চর্চা করা যেতে পারে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0