প্রশ্নের বর্ণনা

a জমা+নও
b জমা+ন
c জমা+নো
d জমা+আনো
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) জমা+আনো ১. কেন সঠিক: - 'জমানো' শব্দটি নামধাতুর ক্রিয়ার একটি রূপ। বিশেষ্য বা বিশেষণ পদের সঙ্গে 'আ' প্রত্যয় যোগ করে নামধাতুর মূল গঠন করা হয় এবং তার সঙ্গে কাল ও পুরুষবাচক বিভক্তি যুক্ত হয়। - এখানে 'জমা' বিশেষ্য পদের সঙ্গে 'আনো' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে 'জমানো' ক্রিয়াপদটি গঠিত হয়েছে, যা সন্ধি বা প্রত্যয় সাধিত প্রক্রিয়া হিসেবে বিবেচিত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বিশেষ্য বা বিশেষণের পরে 'আ' প্রত্যয় যোগ করে যে ধাতু গঠিত হয় তাকে নামধাতু বলে। নামধাতুর সঙ্গে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে বিভিন্ন ক্রিয়াপদ তৈরি হয়। - এই শব্দগুলোর গঠন প্রক্রিয়া সন্ধির নিয়মের কাছাকাছি হওয়ায় অনেক সময় সন্ধি বিচ্ছেদ হিসেবেও ধরা হয়। এখানে 'জমা' এবং 'আনো' মিলে শব্দটি হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ছোঁয়া ব্যাখ্যা: ছোঁয়া শব্দটি ছোঁয়া প্রত্যয় যোগে গঠিত হয়েছে। এটি নামধাতুর একটি চমৎকার উদাহরণ। উদাহরণ ২: ঘুমানো ব্যাখ্যা: ঘুম বিশেষ্য পদের সঙ্গে আনো প্রত্যয় যুক্ত হয়ে ঘুমানো শব্দটি গঠিত হয়েছে। এটি একই নিয়মের আওতাভুক্ত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জমা+নও — 'নও' কোনো ব্যাকরণসম্মত প্রত্যয় বা শব্দাংশ নয়। তাই এই অপশনটি সম্পূর্ণ ভুল। B) জমা+ন — 'ন' যুক্ত করলে শব্দটি 'জমান' হয়, যা সঠিক শব্দের সঙ্গে মিলে না। তাই এটি ভুল। C) জমা+নো — 'নো' সরাসরি যুক্ত হলে প্রমিত বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী সঠিক গঠন আসে না। তাই এটি ভুল। D) জমা+আনো — এটি সঠিক নিয়ম মেনে গঠিত হয়েছে এবং সঠিক উত্তর নির্দেশ করে। ৫ মনে রাখার টিপস: - কোনো ক্রিয়ার শেষে 'আনো' বা 'নো' থাকলে তার মূল শব্দ বা বিশেষ্য অংশটি আলাদা করে দেখবে। যেমন জমানো শব্দের মূল শব্দ জমা এবং প্রত্যয় আনো। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নামধাতু ও প্রত্যয় সাধিত শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। তাই শব্দের মূল রূপ চেনার অভ্যাস করতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0