প্রশ্নের বর্ণনা

a ছারপোকা
b গায়ে পড়া
c গলা কাটা
d জলদ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) গায়ে পড়া ১. কেন সঠিক: যে পদের পরবর্তী কৃদন্ত পদের সঙ্গে কৃৎপ্রকৃতিযুক্ত পদের সমাস হয় এবং সমাসবদ্ধ পদের অর্থটি অন্য কোনো পদের অর্থ প্রকাশ করে, তাকে উপপদ তৎপুরুষ সমাস বলে। গায়ে পড়ে যে — গায়ে পড়া, এটি একটি উপপদ তৎপুরুষ সমাসের উদাহরণ যেখানে গায়ে পদটি উপপদ এবং পড়া কৃদন্ত পদ। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: উপপদ তৎপুরুষ সমাসে কৃদন্ত পদের সঙ্গে উপপদের যে সমাস হয় তা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী সাধিত হয়। এখানে মূল ক্রিয়ামূলের সঙ্গে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে কৃদন্ত পদ গঠিত হয় এবং তার আগের পদটি উপপদ হিসেবে কাজ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পঙ্কে জন্মে যা = পঙ্কজ ব্যাখ্যা: পঙ্ক উপপদের সঙ্গে জন্ম ধাতুর উত্তর ড প্রত্যয় যুক্ত কৃদন্ত পদের এই সমাস সাধিত হয়েছে। উদাহরণ ২: জলে চরতি যে = জলচর ব্যাখ্যা: জল উপপদের সঙ্গে চর ধাতুর উত্তর অ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে উপপদ তৎপুরুষ সমাস গঠন করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ছারপোকা — এটি সাধারণ মধ্যপদলোপী বা কর্মধারয় সমাসের আওতাভুক্ত হতে পারে, যা উপপদ তৎপুরুষের নিয়মে পড়ে না। B) গায়ে পড়া — এটি সঠিক উপপদ তৎপুরুষ সমাসের উদাহরণ হওয়ায় প্রশ্ন অনুযায়ী এটিই সঠিক উত্তর। C) গলা কাটা — এটি বহুব্রীহি বা অন্য কোনো সমাসের অন্তর্ভুক্ত হতে পারে, যা সরাসরি উপপদ তৎপুরুষের সংজ্ঞার সঙ্গে মিলে না। D) জলদ — জল দেয় যে, এটি অন্য ব্যাকরণিক প্রক্রিয়ায় সাধিত শব্দ যা এখানে প্রযোজ্য নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: বাক্যের শেষে যদি ক্রিয়াভিত্তিক কোনো শব্দ থাকে এবং তার পূর্বে একটি বিশেষ্য বা পদ থাকে যা কৃদন্ত পদের সঙ্গে যুক্ত হয়, তবে তা সাধারণত উপপদ তৎপুরুষ সমাস হয়। কৃদন্ত পদের ওপর নির্ভর করে এই সমাস সহজে চেনা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উপপদ তৎপুরুষ সমাস থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে। পঙ্কজ, জলচর, পকেটমার ইত্যাদি শব্দগুলো বারবার অনুশীলন করলে এই সমাস সহজে আয়ত্ত করা সম্ভব।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0