প্রশ্নের বর্ণনা

a ক্ষিতিশচন্দ্র
b দক্ষিণারঞ্জন মিত্র
c দীনেশচন্দ্র
d জসীমউদ্দীন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) দক্ষিণারঞ্জন মিত্র ১. কেন সঠিক: - 'ঠাকুমার ঝুলি' বাংলা লোকসাহিত্য সংকলনের এক অনন্য ও অমর সৃষ্টি, যার সংকলক দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার। - এই গ্রন্থটি বাংলার গ্রামীণ জনপদে মুখে মুখে প্রচলিত রূপকথা ও লোককাহিনিগুলোকে একত্রিত করে আধুনিক সাহিত্যরূপ দেওয়ার মাধ্যমে চিরস্মরণীয় হয়ে আছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার ছিলেন বাংলার লোকসাহিত্য সংগ্রহের এক অগ্রদূত এবং বিশিষ্ট শিশুসাহিত্যিক। - ১৯০৭ সালে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ভূয়সী প্রশংসায় দীনেশচন্দ্র সেনের সম্পাদনায় বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে এই গ্রন্থটি প্রকাশিত হয় এবং বাংলা শিশুসাহিত্যে নতুন যুগের সূচনা করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: 'দাদাভাইয়ের রূপকথা' ব্যাখ্যা: এটি দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদারের রচিত আরও একটি বিখ্যাত শিশুতোষ ও রূপকথাধর্মী সাহিত্যকর্ম। উদাহরণ ২: 'উৎসব' ব্যাখ্যা: এটি দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদারের রচিত সমাজ ও সংস্কৃতিভিত্তিক একটি গুরুত্বপূর্ণ সাহিত্যকর্ম। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ক্ষিতিশচন্দ্র — ক্ষিতিশচন্দ্র মৌলিক কোনো প্রখ্যাত লোকসাহিত্য সংকলন রচনা করেননি, তাই এই উত্তর সঠিক নয়। B) দক্ষিণারঞ্জন মিত্র — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রশ্নানুযায়ী সঠিক হিসেবে বিবেচিত। C) দীনেশচন্দ্র — দীনেশচন্দ্র সেন 'ঠাকুমার ঝুলি'র ভূমিকা লিখেছিলেন এবং বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে এটি প্রকাশে সহায়তা করেছিলেন, কিন্তু এর রচয়িতা তিনি নন। D) জসীমউদ্দীন — জসীমউদ্দীন পল্লিকবি হিসেবে খ্যাত হলেও 'ঠাকুমার ঝুলি' রূপকথার সংকলক তিনি নন, বরং তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ 'নকশী কাথার মাঠ'। ৫ মনে রাখার টিপস: - ঝুলি হাতে দক্ষিণারঞ্জন ঘুরে ঘুরে রূপকথা কুড়িয়েছেন, এভাবে মনে রাখতে পারো। - ঠাকুমার ঝুলির আসল কারিগর দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই লোকসাহিত্য এবং এর সংকলক সম্পর্কিত প্রশ্ন আসে। - একই রকম আরেকটি প্রশ্ন আসতে পারে 'দাদাভাইয়ের রূপকথা' কার লেখা, যার উত্তরও দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0