প্রশ্নের বর্ণনা

a বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে
b শ্রীরামপুর মিশন থেকে
c রামকৃষ্ণ মিশন থেকে
d জানা সম্ভব হয়নি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে ১. কেন সঠিক: শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যটি ১৯০৯ সালে বাঁকুড়াকুঞ্জের একটি গোয়ালঘর থেকে সংগৃহীত হয় এবং বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্বদ্বল্লভ এটি বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে প্রথম সম্পাদন ও প্রকাশ করেন। এই কাব্যটি মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের প্রথম নিদর্শন এবং এর আবিষ্কার বাংলা সাহিত্য ইতিহাসে একটি যুগান্তকারী ঘটনা। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: শ্রীকৃষ্ণকীর্তন মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের আদি নিদর্শন এবং বৈষ্ণব পদাবলীর প্রাচীনতম রূপ হিসেবে পরিগণিত হয়। এটি বড় চণ্ডীদাস রচিত একটি নাট্যগীতিকাব্য যেখানে রাধা, কৃষ্ণ ও বরুড়াই মূল চরিত্র। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চণ্ডীদাস রচিত শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যটি বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের ইতিহাসের সূচনা করে। ব্যাখ্যা: মধ্যযুগের অন্ধকার যুগ বা শুরুর সময়কার একমাত্র নির্ভরযোগ্য প্রামাণ্য গ্রন্থ এটি। উদাহরণ ২: আলাওল রচিত পদ্মাবতী কাব্যটি মধ্যযুগের আরেকটি অন্যতম প্রধান রোমান্টিক কাব্য। ব্যাখ্যা: এটিও মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস এবং মুসলিম সাহিত্যিকদের অবদান বোঝাতে প্রাসঙ্গিক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে — এটি সঠিক কারণ বসন্তরঞ্জন রায় এখান থেকেই গ্রন্থটি প্রথম প্রকাশ করেছিলেন। B) শ্রীরামপুর মিশন থেকে — এই প্রতিষ্ঠানটি মূলত আধুনিক যুগের শুরুতে বাইবেল অনুবাদ ও গদ্য চর্চার জন্য বিখ্যাত ছিল। C) রামকৃষ্ণ মিশন থেকে — এটি ধর্মীয় ও সমাজসেবামূলক প্রতিষ্ঠান, প্রাচীন মধ্যযুগের পুঁথি সম্পাদনার সঙ্গে এর সরাসরি সম্পর্ক নেই। D) জানা সম্ভব হয়নি — এটি ভুল কারণ ১৯১৬ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকেই এটি সফলভাবে প্রকাশিত হয়েছিল। ৫ মনে রাখার টিপস: শ্রীকৃষ্ণকীর্তন আবিষ্কার ও প্রকাশের সঙ্গে ব-অক্ষরের সম্পর্ক মনে রাখতে পারো যেমন বসন্তরঞ্জন এবং বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ। মধ্যযুগের প্রাচীন পুঁথি উদ্ধারের ক্ষেত্রে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদের অবদান সবচেয়ে বেশি। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের আবিষ্কারক বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্বদ্বল্লভ এবং এটি প্রকাশিত হয় ১৯১৬ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই এর আবিষ্কারক, প্রকাশকাল ও প্রাপ্তিস্থান সম্পর্কে প্রশ্ন আসে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0