প্রশ্নের বর্ণনা

a চীন
b কোরিয়া
c ইতালি
d জাপান
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) জাপান ১. কেন সঠিক: হাইকু হলো জাপানের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও সংক্ষিপ্ত ঐতিহ্যবাহী কবিতা রূপ। এই কবিতায় সাধারণত নির্দিষ্ট মাত্রার বিন্যাস থাকে এবং এতে মূলত প্রকৃতির রূপ বা ঋতু পরিবর্তনের ভাব ফুটিয়ে তোলা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: হাইকু হলো জাপানি সাহিত্যের একটি বিশেষ ধারার কবিতা, যার মূল বৈশিষ্ট্য হলো ভাবসংগীতি ও সংক্ষিপ্ততা। বাংলা সাহিত্যে সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত, আহসান হাবীবসহ অনেকে হাইকু আঙ্গিকে কবিতা রচনা করেছেন এবং এটি বিশ্বসাহিত্যেও বেশ সমাদৃত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পাতার উপর শিশিরবিন্দু, সূর্য উঠতেই উবে গেল। ব্যাখ্যা: এটি একটি প্রকৃতির রূপ নিয়ে গঠিত সংক্ষিপ্ত হাইকু কবিতার মতো ভাব প্রকাশ করে। উদাহরণ ২: শীতের সকালে ঝরে পড়া পাতা, বসন্তে আবার নতুন জীবনের ডাক। ব্যাখ্যা: ঋতু পরিবর্তনের এই রূপটি হাইকু কবিতার অন্যতম প্রধান একটি শৈল্পিক বৈশিষ্ট্য। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চীন — চীন প্রাচীন সভ্যতা ও লিয়ো বাইয়ের মতো বিখ্যাত কবির জন্য পরিচিত হলেও হাইকু জাপানের কবিতা। B) কোরিয়া — কোরিয়ান সাহিত্য নিজস্ব ধারায় সমৃদ্ধ হলেও হাইকু কবিতার উৎপত্তির সঙ্গে কোরিয়ার কোনো ঐতিহাসিক সম্পর্ক নেই। C) ইতালি — ইতালি সনেট বা পেত্রার্কীয় কবিতার জন্মস্থান হিসেবে পরিচিত, হাইকু কবিতার উৎস দেশ এটি নয়। D) জাপান — এই অপশনটি সঠিক কারণ হাইকু জাপানি সাহিত্যের ঐতিহ্যবাহী ও নিজস্ব একটি সংক্ষিপ্ত কবিতার রূপ। ৫ মনে রাখার টিপস: জাপানের অপর নাম উদীয়মান সূর্যের দেশ এবং হাইকু হলো জাপানি সাহিত্যের এক সূর্যসম সংক্ষিপ্ত ও উজ্জ্বল কবিতার রূপ। হাইকু ও জাপান শব্দ দুটি একসঙ্গে মিলিয়ে মনে রাখতে পারো যে জাপানি সংস্কৃতির সঙ্গে হাইকু শব্দটি ওতপ্রোতভাবে জড়িত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিভিন্ন দেশের সাহিত্যিক রূপ বা কাব্যধারা সম্পর্কে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। বিশ্বসাহিত্যের অন্যান্য পরিচিত কাব্যরূপ যেমন ইতালির সনেট বা জাপানের হাইকু ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এ ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0