প্রশ্নের বর্ণনা

a সেলিনা হোসেন
b বেগম সুফিয়া কামাল
c সৈয়দা মালেকা বেগম
d জাহানারা ইমান
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সেলিনা হোসেন ১. কেন সঠিক: - ‘হাঙর নদী গ্রেনেড’ একটি বিখ্যাত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস যার রচয়িতা কথাসাহিত্যিক সেলিনা হোসেন। - এই উপন্যাসে এক জননী ও তার বাকপ্রতিবন্ধী পুত্রের আত্মত্যাগের মাধ্যমে বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের এক অনন্য চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সেলিনা হোসেন বাংলাদেশের সমকালীন উপন্যাসের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র যিনি বাংলা কথাসাহিত্যে বিশেষ অবদান রেখেছেন। - তাঁর সাহিত্যকর্মে সাধারণত নারী অধিকার, সমাজের নিচুতলার মানুষের জীবন সংগ্রাম এবং ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ প্রধান্য পেয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সেলিনা হোসেনের রচিত অন্য একটি জনপ্রিয় উপন্যাস হলো ‘যাপিত জীবন’। ব্যাখ্যা: এটি তাঁর প্রথম প্রকাশিত উপন্যাস যা সামাজিক ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে রচিত। উদাহরণ ২: সেলিনা হোসেনের আরেকটি বিখ্যাত উপন্যাস হলো ‘পোকা মাকড়ের ঘরবসতি’। ব্যাখ্যা: এই উপন্যাসে সুন্দরবনের বেদেনী সম্প্রদায়ের জীবনযাত্রা ও সংগ্রামের বাস্তব রূপ তুলে ধরা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সেলিনা হোসেন — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই ঔপন্যাসিকই ‘হাঙর নদী গ্রেনেড’ গ্রন্থটি রচনা করেছেন। B) বেগম সুফিয়া কামাল — তিনি বিশিষ্ট কবি ও নারী অধিকার নেত্রী হলেও এই উপন্যাসের রচয়িতা নন। C) সৈয়দা মালেকা বেগম — ইনি কথাসাহিত্যিক সেলিনা হোসেন নন এবং এই উপন্যাসের সঙ্গে তাঁর কোনো সম্পৃক্ততা নেই। D) জাহানারা ইমান — ইনি ‘একাত্তরের দিনগুলি’ স্মৃতিকথার লেখক, তবে ‘হাঙর নদী গ্রেনেড’ তাঁর লেখা নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - সেলিনা হোসেনের নামের প্রথম অংশ এবং মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাসের কথা মনে রাখলে সহজেই উত্তরটি আয়ত্ত করা যায়। - হাঙর নদী গ্রেনেড উপন্যাসের প্রধান চরিত্র বুড়ি মায়ের সংগ্রামকে মনে রাখলে লেখকের নাম ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস ও এর লেখকদের নাম প্রায়ই আসে। - সেলিনা হোসেনের অন্যান্য বিখ্যাত উপন্যাস যেমন ‘নীল ময়ূরের যৌবন’ ও ‘গায়ত্রী সন্ধ্যা’ সম্পর্কেও ধারণা রাখা জরুরি।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0