প্রশ্নের বর্ণনা

a জসীম উদ্দীন
b রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায়
c মোহিতলাল মজুমদার
d জীবনানন্দ দাশ
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায় ১. কেন সঠিক: - পঙ্ক্তিটি উনিশ শতকের বিশিষ্ট কবি রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ পদ্মিনী উপাখ্যান থেকে সংগৃহীত হয়েছে। - পঙ্ক্তিটির মাধ্যমে পরাধীনতার গ্লানি ও মুক্তির তীব্র আকুতি অত্যন্ত জোরালোভাবে প্রকাশ পেয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলা কাব্যে দেশপ্রেম ও জাতীয়তাবাদের প্রথম সার্থক প্রবক্তা হিসেবে পরিচিত। - পদ্মিনী উপাখ্যান কাব্যগ্রন্থটি ১৮৫৮ সালে প্রকাশিত হয় এবং এতে রাজপুতদের বীরত্ব ও দেশপ্রেমের কথা বলা হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: হে দারিদ্র্য, তুমি মোরে করেছ মহান ব্যাখ্যা: এই বিখ্যাত পঙ্ক্তিটি বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের দারিদ্র্য কবিতা থেকে নেওয়া হয়েছে। উদাহরণ ২: সবে মাত্র সে যে এক অদ্ভুত আঁধারে মেতেছে ব্যাখ্যা: এটি জীবনানন্দ দাশের কবিতার লাইন, যেখানে প্রকৃতির রূপ ও বিষণ্ণতা প্রকাশ পেয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জসীম উদ্দীন — তিনি পল্লীকবি হিসেবে পরিচিত এবং নকশী কাঁথার মাঠ তার বিখ্যাত রচনা হলেও এই পঙ্ক্তিটির রচয়িতা নন। B) রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায় — এই অপশনটি সঠিক এবং তার পদ্মিনী উপাখ্যান কাব্যগ্রন্থ থেকে এই পঙ্ক্তিটি নেওয়া হয়েছে। C) মোহিতলাল মজুমদার — তিনি বাংলা কাব্যের সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত ও রোমান্টিক ধারার কবি, তবে এই পঙ্ক্তিটি তার লেখা নয়। D) জীবনানন্দ দাশ — তিনি আধুনিক বাংলা কবিতার রূপসী বাংলার কবি, এই প্রখ্যাত দেশপ্রেমমূলক পঙ্ক্তিটির সঙ্গে তার কোনো সম্পর্ক নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: - স্বাধীনতা হীনতায় কে বাঁচিতে চায় হে, দাসত্ব শৃঙ্খল কে পরিবে পায়ে এই বিখ্যাত প্রশ্নটি করেছিলেন রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায়। - রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামের সঙ্গে পদ্মিনী উপাখ্যান এবং দেশপ্রেমের বাণী মনে রাখলেই উত্তরটি সহজে চিনে নেওয়া যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিখ্যাত সাহিত্যিক উদ্ধৃতি কার লেখা, তা প্রায়ই আসে। - বাংলা সাহিত্যে দেশপ্রেমমূলক কবিতার সূচনার জন্য রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0