প্রশ্নের বর্ণনা

a ব্রাসি হ্যালহেড
b উইলিয়াম কেরি
c হেনরি ফরস্টার
d জোনাথন ডানকান
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) হেনরি ফরস্টার ১. কেন সঠিক: ১৭৯৩ সালে লর্ড কর্নওয়ালিস প্রবর্তিত বিখ্যাত প্রশাসনিক ও আইনগত সংস্কারমূলক দলিল কর্নওয়ালিস কোর্ড ইংরেজিতে রচিত হয়েছিল। এই আইনি ও প্রশাসনিক দলিলটি সাধারণ মানুষের বোধগম্য করার জন্য বাংলায় অনুবাদ করার উদ্যোগ নেওয়া হয় এবং হেনরি ফরস্টার এর সফল বঙ্গানুবাদ করেন। ২. সাহিত্য ও ইতিহাস ব্যাখ্যা: ব্রিটিশ শাসনামলে এ দেশে শাসনকার্য পরিচালনার সুবিধার্থে এবং বিচারব্যবস্থাকে সুসংহত করতে লর্ড কর্নওয়ালিস কিছু আইন প্রণয়ন করেন যা কর্নওয়ালিস কোর্ড নামে পরিচিত। ব্রিটিশ প্রশাসনের গোড়ার দিকে বাংলা ভাষা ও সাহিত্য চর্চায় এবং প্রশাসনিক দলিলপত্র অনুবাদের ক্ষেত্রে কয়েকজন ইংরেজ কর্মকর্তার বিশেষ অবদান রয়েছে যাদের মধ্যে হেনরি ফরস্টার অন্যতম। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ১৭৭৮ সালে প্রকাশিত নাথানিয়্যাল ব্রাসি হ্যালহেডের লেখা আ গ্রামার অফ দ্য বেঙ্গল ভাষা। এটি ছিল বাংলা ভাষার প্রথম মুদ্রিত ব্যাকরণ গ্রন্থ। ব্যাখ্যা: ব্রিটিশ আমলের প্রারম্ভে বাংলা ভাষা ও ব্যাকরণ নিয়ে ইংরেজ কর্মকর্তাদের গবেষণার এটি একটি প্রোজ্জ্বল ঐতিহাসিক উদাহরণ। উদাহরণ ২: ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের পন্ডিতগণ কর্তৃক অনূদিত বিভিন্ন গ্রন্থ। ব্যাখ্যা: লর্ড কর্নওয়ালিস ও পরবর্তী সময়ে ব্রিটিশ রাজকর্মচারীদের বাংলা শেখানোর ধারাবাহিকতায় ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয় এবং অনুবাদের ধারা প্রসার লাভ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ব্রাসি হ্যালহেড — ইনি বাংলা ভাষার প্রথম মুদ্রিত ব্যাকরণের রচয়িতা, কর্নওয়ালিস কর্ডের অনুবাদক নন। B) উইলিয়াম কেরি — ইনি ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের বাংলা বিভাগের প্রধান এবং বাইবেলের অনুবাদক, এই গ্রন্থের অনুবাদক নন। D) জোনাথন ডানকান — ইনি বেনারসের ব্রিটিশ রেসিডেন্ট এবং সংস্কৃত কলেজ প্রতিষ্ঠাতা, কর্নওয়ালিস কর্ডের সাথে সম্পৃক্ত নন। ৫ মনে রাখার টিপস: কর্নেল বা কর্নওয়ালিসের কোড বা আইন বাংলায় রূপান্তর করেছিলেন ফোরস্টার বা ফরস্টার। এভাবে নাম দুটির প্রথম অংশের মিল দিয়ে তথ্যটি সহজে মনে রাখা যায়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ব্রিটিশ আমলের প্রথম আইনগত দলিল বঙ্গানুবাদ এবং প্রারম্ভিক অনুবাদকদের নাম প্রায়ই আসে। তাই হেনরি ফরস্টার ও কর্নওয়ালিস কর্ডের এই ঐতিহাসিক সম্পর্কটি ভালো করে মনে রাখতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0