প্রশ্নের বর্ণনা

a ম
b ন
c 'ং'
d ঞ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ং ১. কেন সঠিক: পরাশ্রয়ী বর্ণ এমন কিছু বর্ণ যা একা স্বাধীনভাবে উচ্চারিত হতে পারে না এবং অন্য কোনো স্বরবর্ণ বা ব্যঞ্জনবর্ণের সাহায্য ছাড়া অর্থপূর্ণভাবে বসে না। বাংলা বর্ণমালায় এমন বর্ণ তিনটি রয়েছে, যেমন অনুস্বার (ং), বিসর্গ (ঃ) এবং চন্দ্রবিন্দু (ঁ)। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা বর্ণমালায় স্বরবর্ণ ও ব্যঞ্জনবর্ণের বাইরে তিনটি বিশেষ বর্ণকে পরাশ্রয়ী বর্ণ বলা হয়। এই বর্ণগুলো সবসময় অন্য কোনো বর্ণের ঘাড়ে ভর করে বা পিছে যুক্ত হয়ে উচ্চারিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাংলা শব্দে অনুস্বর (ং) যুক্ত হয়ে সংকলন বা সিংহ শব্দ গঠিত হয়। ব্যাখ্যা: এখানে ং একা উচ্চারিত না হয়ে স এবং ক বর্ণের সঙ্গে যুক্ত হয়ে শব্দ তৈরি করেছে। উদাহরণ ২: বিসর্গ (ঃ) যুক্ত হয়ে দুঃখ বা মূলত শব্দ গঠিত হয়। ব্যাখ্যা: এখানে বিসর্গ বর্ণটি অন্য বর্ণের পরে বসে নিজস্ব উচ্চারণ প্রকাশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ম — এটি একটি স্পর্শ বা বর্গীয় বর্ণ, যা প বর্গের অন্তভুক্ত এবং স্বাধীনভাবে উচ্চারিত হতে পারে। B) ন — এটি একটি দন্ত্য ব্যঞ্জনবর্ণ, যা স্বাধীনভাবে শব্দ গঠনে অংশ নেয় এবং পরাশ্রয়ী নয়। C) ং — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এটি অন্যের ওপর নির্ভর করে উচ্চারিত হয়। D) ঞ — এটি একটি নাসিক্য ব্যঞ্জনবর্ণ বা চ বর্গের পঞ্চম বর্ণ, যা স্বাধীনভাবে উচ্চারিত হতে পারে। ৫. মনে রাখার টিপস: পরাশ্রয়ী বর্ণ মনে রাখার সহজ উপায় হলো অনুস্বার, বিসর্গ ও চন্দ্রবিন্দু—এই তিনটিকে পরাশ্রয়ী বা পরাধীন বর্ণ বলা হয়। এরা কখনোই একা বসে শব্দ গঠন করতে পারে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই পরাশ্রয়ী বর্ণ কয়টি বা কোনটি তা জানতে চাওয়া হয়। বাংলা বর্ণমালায় পরাশ্রয়ী বর্ণ মোট তিনটি, যা ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0