প্রশ্নের বর্ণনা

a কবিকঙ্কন
b বাংলার মিল্টন
c রায়গুণাকর
d টেকচাঁদ ঠাকুর
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) টেকচাঁদ ঠাকুর ১. কেন সঠিক: প্যারীচাঁদ মিত্র বাংলা উপন্যাসের জনক হিসেবে পরিচিত এবং তিনি বাংলা সাহিত্যে টেকচাঁদ ঠাকুর ছদ্মনামে লেখালেখি করতেন। তার রচিত আলালের ঘরের দুলাল বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক উপন্যাস যা এই ছদ্মনামে ১৮৫৮ সালে প্রকাশিত হয়েছিল। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: প্যারীচাঁদ মিত্র উনিশ শতকের নবজাগরণের অন্যতম প্রধান ব্যক্তিত্ব এবং টেকচাঁদ ঠাকুর ছদ্মনামে তিনি প্রমথ ভাষা বা আলালি ভাষা সৃষ্টি করেছিলেন। তার এই সাহিত্যরীতি সেকালের সমাজে অত্যন্ত জনপ্রিয় হয়েছিল এবং বাংলা গদ্যের উন্নয়নে এটি একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ ছিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আলালের ঘরের দুলাল ব্যাখ্যা: এটি প্যারীচাঁদ মিত্রের লেখা প্রথম বাংলা উপন্যাস যা টেকচাঁদ ঠাকুর ছদ্মনামে প্রকাশিত হয়। উদাহরণ ২: মীরা বা আত্মীয়া ব্যাখ্যা: এটি প্যারীচাঁদ মিত্রের আরেকটি উল্লেখযোগ্য রচনা যা তার সাহিত্যিক পরিচয়ের পরিপূরক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কবিকঙ্কন — এটি মধ্যযুগের কবি মুকুন্দরাম চক্রবর্তীর উপাধি, প্যারীচাঁদ মিত্রের ছদ্মনাম নয়। B) বাংলার মিল্টন — এটি মহাকবি হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপাধি, প্যারীচাঁদ মিত্রের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত নয়। C) রায়গুণাকর — এটি মধ্যযুগের কবি ভারতচন্দ্রের উপাধি, প্যারীচাঁদ মিত্রের ছদ্মনাম নয়। D) টেকচাঁদ ঠাকুর — এটি প্যারীচাঁদ মিত্রের নিজস্ব ছদ্মনাম হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। ৫ মনে রাখার টিপস: প প্যারীচাঁদ এবং ট টেকচাঁদ, এভাবে আদ্যক্ষর মিলিয়ে প-ট বা প্যাট সূত্র মনে রাখতে পারো। বাংলা উপন্যাসের সূচনার সঙ্গে টেকচাঁদ ঠাকুর নামটিকে এভাবে সহজেই মনে রাখা সম্ভব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ছদ্মনাম থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। প্যারীচাঁদ মিত্রের টেকচাঁদ ঠাকুর এবং ভূদেব মুখোপাধ্যায়ের মরমী ছদ্মনামগুলো বিশেষভাবে মনে রাখা প্রয়োজন।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0