প্রশ্নের বর্ণনা

a লুই পা
b কাহ্ন পা
c ভুসুক পা
d টেন্টন পা
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) লুই পা ১. কেন সঠিক: মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবারের রয়েল লাইব্রেরি থেকে চর্যাপদের পুথি আবিষ্কার করেন এবং ১৯১৬ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে 'হাজার বছরের পুরাণ বাঙ্গালা ভাষায় রচিত বৌদ্ধ গান ও দোহা' নামে গ্রন্থাকারে প্রকাশ করেন। তিনি চর্যাপদের পদকর্তাদের মধ্যে লুই পা-কে চর্যার আদি কবি বা প্রথম পদকর্তা হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: লুই পা চর্যাপদের অন্যতম প্রধান ও প্রাচীন পদকর্তা এবং তাকে বাঙালি সাধক ও চর্যাপদের সূচনাস্তরের কবি হিসেবে গণ্য করা হয়। চর্যাপদের মোট পদসংখ্যা সাড়ে ছেচল্লিশটি এবং এর আবিষ্কারক হরপ্রসাদ শাস্ত্রী বাংলা সাহিত্যের আদি নিদর্শন হিসেবে একে স্বীকৃতি দেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: লুইপার রচিত পদ বা চর্যাপদের প্রথম পদটি শুরু হয় কায় তরুবর পঞ্চ বি ডাল চঞ্চল চিয়ে পৈঠা কাল দিয়ে। ব্যাখ্যা: এই পদটি চর্যাপদের প্রথম পদ এবং এর রচয়িতা লুই পা, যা চর্যার আদি কবি হিসেবে তার অবস্থানকে নিশ্চিত করে। উদাহরণ ২: কাহ্নপার রচিত পদের সংখ্যা সবোর্চ্চ তেরোটি। ব্যাখ্যা: চর্যাপদের সর্বাধিক পদের রচয়িতা কাহ্নপা এবং এটি চর্যাপদ রচনার কবি পরিচিতি সম্পর্কিত একটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) লুই পা — হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর মতে তিনি চর্যাপদের আদি কবি এবং তার পদ দিয়েই চর্যাপদের পুথি শুরু হয়েছে। B) কাহ্ন পা — তিনি চর্যাপদের সর্বাধিক পদের রচয়িতা হলেও হরপ্রসাদ শাস্ত্রী তাকে আদি কবি মনে করেন না। C) ভুসুক পা — তিনি চর্যাপদের একজন বিশিষ্ট পদকর্তা এবং তার রচিত পদের সংখ্যা আটটি কিন্তু তিনি আদি কবি নন। D) টেন্টন পা — ইনি চর্যাপদের কোনো প্রধান বা আদি কবি নন বরং চর্যাপদের অন্য একজন কম পদরচয়িতা কবি। ৫ মনে রাখার টিপস: চর্যার আদি কবি লুই পা এই তথ্যটি মনে রাখার জন্য লুই শব্দটিকে প্রথম বা শুরুর নির্দেশক হিসেবে ধরে নেওয়া যায়। হরপ্রসাদ শাস্ত্রী আবিষ্কারক ছিলেন এবং তিনিই প্রথম কবি হিসেবে লুই পা-র নাম ঘোষণা করেন। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: চর্যাপদের আবিষ্কারক হরপ্রসাদ শাস্ত্রী এবং এর মোট পদকর্তা তেইশ জন এই তথ্যগুলো প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বারবার আসে। আদি কবি কে এবং পদসংখ্যা কত এই দুটি প্রশ্ন ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0