প্রশ্নের বর্ণনা

a চুপচাপ
b পট পট
c উড়ু উড়ু
d ঠেকাঠেকি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) পট পট ১. কেন সঠিক: - পট পট একটি ধ্বনাত্মক দ্বিত্ব শব্দ কারণ এটি কোনো কিছুর ভেঙে যাওয়া বা ফাটার ধ্বনির অনুকরণে তৈরি হয়েছে। - বাংলা ব্যাকরণে কোনো প্রাকৃতিক ধ্বনি, মানুষের ভাব বা আবেগের অনুকরণে গঠিত শব্দের পুনরাবৃত্তিকে ধ্বনাত্মক দ্বিত্ব বলা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ধ্বনাত্মক শব্দ হলো সেই শব্দ যা বাস্তব জগতের কোনো কিছুর ধ্বনির অনুকরণে তৈরি হয় এবং ব্যাকরণে এগুলো বিশেষণের কাজ করে। - এই শব্দগুলোর জোড়ায় ব্যবহারকে ধ্বনাত্মক দ্বিত্ব বা দ্বিরুক্তি বলা হয়, যা ভাষার প্রকাশভঙ্গিকে আরও জীবন্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ঝম ঝম ব্যাখ্যা: এটি অবিরাম বৃষ্টির পতনের ধ্বনির অনুকরণে গঠিত একটি ধ্বনাত্মক দ্বিত্ব শব্দ। উদাহরণ ২: ঘাচ ঘাচ ব্যাখ্যা: এটি কোনো কিছু ধারালো অস্ত্র দিয়ে দ্রুত কেটে ফেলার শব্দের অনুকরণে তৈরি ধ্বনাত্মক দ্বিত্ব। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চুপচাপ - এটি একটি অবিকৃত শব্দদ্বিত্ব বা ভাববাচক শব্দের দ্বিরুক্তি, কোনো ধ্বনির অনুকরণে তৈরি ধ্বনাত্মক শব্দ নয়। B) পট পট - সঠিক উত্তর হওয়ার কারণে এটি ভুল নয়, বরং প্রশ্নের শর্ত পূরণ করে। C) উড়ু উড়ু - এটি মনের এক ধরনের বিশেষ ভাব বা চাঞ্চল্য বোঝায়, কোনো শব্দের ধ্বন্যাত্মক রূপ নয়। D) ঠেকাঠেকি - এটি দুটি সমার্থক বা বিপরীতার্থক শব্দের পারস্পরিক সংযোগে গঠিত দ্বিরুক্ত শব্দ, ধ্বনাত্মক দ্বিত্ব নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - যে শব্দগুলো শুনলে কোনো বিশেষ শব্দ বা আওয়াজ কানে ভেসে ওঠে, সেগুলোই ধ্বনাত্মক দ্বিত্ব। - কান দিয়ে শোনা শব্দের অনুকরণ থাকলে তা ধ্বনাত্মক দ্বিত্ব হিসেবে চিহ্নিত করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই ধ্বনাত্মক, ভাববাচক এবং ক্রিয়াজাত দ্বিরুক্তির মধ্যে পার্থক্য করতে বলা হয়। - শব্দ শোনার অনুভূতি থাকলে তা ধ্বনাত্মক দ্বিত্ব এবং মনের ভাব প্রকাশ করলে তা ভাববাচক দ্বিরুক্তি হিসেবে গণ্য করবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0