প্রশ্নের বর্ণনা

a ড. নীলিমা ইব্রাহীম
b ড. আহমদ শরীফ
c সৈয়দ আলী আহসান
d ড. আশরাফ সিদ্দিকী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ড. আহমদ শরীফ ১. কেন সঠিক: - ‘কালের দর্পণে স্বদেশ’ প্রবন্ধগ্রন্থটির রচয়িতা বিশিষ্ট প্রাবন্ধিক, গবেষক ও চিন্তাবিদ ড. আহমদ শরীফ। - এই গ্রন্থে লেখকের সমাজ, সাহিত্য, সংস্কৃতি এবং রাজনীতি বিষয়ক গভীর মননশীল প্রবন্ধ সংকলিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ড. আহমদ শরীফ ছিলেন বিংশ শতাব্দীর বাঙালি মুক্তবুদ্ধি চর্চার অন্যতম প্রধান প্রবক্তা ও মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের গবেষক। - তাঁর প্রবন্ধগ্রন্থে বাঙালি সংস্কৃতি, ইতিহাস এবং সমাজ জীবনের বাস্তব চিত্র অত্যন্ত সুচারুভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সব পাবেন না ব্যাখ্যা: এটি ড. আহমদ শরীফ রচিত আরেকটি বিখ্যাত প্রবন্ধগ্রন্থ, যেখানে তার বুদ্ধিবৃত্তিক চিন্তার পরিচয় মেলে। উদাহরণ২: বাঙালি ও বাংলা সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি ড. আহমদ শরীফ রচিত বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতি বিষয়ক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি গবেষণা গ্রন্থ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ড. নীলিমা ইব্রাহীম — ইনি একজন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও সাহিত্যিক হলেও এই গ্রন্থের রচয়িতা নন, তার বিখ্যাত গ্রন্থ হলো আমি বীরঙ্গনা বলছি। B) ড. আহমদ শরীফ — এই অপশনটি সঠিক এবং এই প্রাবন্ধিকই গ্রন্থটি রচনা করেছেন। C) সৈয়দ আলী আহসান — ইনি একজন প্রখ্যাত সাহিত্যিক ও গবেষক হলেও এই গ্রন্থের রচয়িতা নন, তার বিখ্যাত গ্রন্থ হলো শিল্পবোধ ও আধুনিক সাহিত্য। D) ড. আশরাফ সিদ্দিকী — ইনি একজন বিশিষ্ট লোকসাহিত্য গবেষক হলেও এই গ্রন্থটি তার রচিত নয়, তার বিখ্যাত গ্রন্থ হলো লোকসাহিত্য। ৫. মনে রাখার টিপস: - শরীফ অর্থ সম্মানিত, আর স্বদেশকে যিনি দর্পণে বা আয়নায় স্পষ্টভাবে দেখতে পান তিনি হলেন ড. আহমদ শরীফ। - এভাবে লেখকের নামের সঙ্গে প্রবন্ধের মূল ভাব মিলিয়ে সহজে মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মুক্তবুদ্ধির লেখকদের প্রবন্ধগ্রন্থ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - ড. আহমদ শরীফের প্রবন্ধগ্রন্থগুলোর নাম ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে উত্তর করা সম্ভব।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0