প্রশ্নের বর্ণনা

a সৈয়দ আলী আহসান
b জিল্লুর রহমান সিদ্দিকী
c ড. রফিকুল ইসলাম
d ড. আহমদ শরীফ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সৈয়দ আলী আহসান ১. কেন সঠিক: মুহম্মদ আবদুল হাই এবং সৈয়দ আলী আহসান যৌথভাবে আধুনিক বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসভিত্তিক গ্রন্থ 'বাংলা সাহিত্যের ইতিবৃত্ত' রচনা করেন। এই গ্রন্থটি বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন ও মধ্যযুগের ইতিহাস পর্যালোচনার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং প্রামাণ্য একটি গ্রন্থ হিসেবে বিবেচিত হয়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: গ্রন্থটির রচয়িতা দুজন প্রখ্যাত সাহিত্যিক ও গবেষক। মুহম্মদ আবদুল হাই ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের প্রথম অধ্যাপক এবং বিশিষ্ট ভাষাবিজ্ঞানী। সৈয়দ আলী আহসান ছিলেন একজন প্রখ্যাত কবি, প্রবন্ধকার, গবেষক এবং শিক্ষাবিদ যিনি বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস রচনায় বিশেষ অবদান রেখেছেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মুহম্মদ আবদুল হাইয়ের 'ধ্বনিবিজ্ঞান ও বাংলা ধ্বনিতত্ত্ব' ব্যাখ্যা: এটি মুহম্মদ আবদুল হাইয়ের একটি অত্যন্ত বিখ্যাত ভাষাতাত্ত্বিক গবেষণা গ্রন্থ যা বাংলা ধ্বনি নিয়ে কাজ করে। উদাহরণ ২: সৈয়দ আলী আলসানের 'আমার প্রতিদিনের শব্দ' ব্যাখ্যা: এটি সৈয়দ আলী আহসানের একটি জনপ্রিয় কাব্যগ্রন্থ যা আধুনিক কবিতার ধারায় উল্লেখযোগ্য স্থান দখল করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সৈয়দ আলী আহসান — ইনি মুহম্মদ আবদুল হাইয়ের সাথে যৌথভাবে 'বাংলা সাহিত্যের ইতিবৃত্ত' গ্রন্থটি রচনা করেছিলেন। B) জিল্লুর রহমান সিদ্দিকী — ইনি একজন প্রখ্যাত শিক্ষাবিদ ও প্রাবন্ধিক হলেও এই গ্রন্থ রচনায় সহযোগী ছিলেন না। C) ড. রফিকুল ইসলাম — ইনি একজন বিশিষ্ট নজরুল গবেষক ও ভাষাবিজ্ঞানী তবে এই গ্রন্থ রচনার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না। D) ড. আহমদ শরীফ — ইনি একজন প্রখ্যাত মধ্যযুগের সাহিত্যের গবেষক হলেও এই গ্রন্থের রচয়িতা নন। ৫. মনে রাখার টিপস: ইতিবৃত্ত মানে ইতিহাস, আর সাহিত্যের ইতিবৃত্ত লিখতে দুজন হাই-প্রোফাইল মানুষের দরকার হয়েছিল, অর্থাৎ মুহম্মদ আবদুল হাই ও সৈয়দ আলী আহসান। এই যৌথ প্রয়াস মনে রাখতে 'ইতিবৃত্ত' শব্দের সঙ্গে সৈয়দ আলী আহসানের নাম বিশেষভাবে মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসভিত্তিক গ্রন্থগুলোর রচয়িতা ও যৌথ গ্রন্থ সম্পর্কে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে। এ ধরনের ক্ষেত্রে লেখকের নাম ও সহযোগীর নাম আলাদাভাবে নোট করে পড়া উচিত।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0