প্রশ্নের বর্ণনা

a ড. আশরাফ ভট্টাচার্য
b ড. আশরায় সিদ্দিকী
c ড. দীনেশচন্দ্র সেন
d ড. গোরাম সাকলায়েন
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ড. দীনেশচন্দ্র সেন ১. কেন সঠিক: - ড. দীনেশচন্দ্র সেন ময়মনসিংহ ও তার পার্শ্ববর্তী অঞ্চলের গ্রামীণ জনগণের মুখে মুখে প্রচলিত লোকসাহিত্য সংগ্রহ ও সম্পাদনা করেন। - ১৯২৩ সালে তাঁর সম্পাদনায় কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ‘মৈমনসিংহ গীতিকা’ গ্রন্থটি প্রথম প্রকাশিত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ড. দীনেশচন্দ্র সেন বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের ইতিহাস এবং লোকসাহিত্য গবেষণার এক প্রাতঃস্মরণীয় ব্যক্তিত্ব। - ‘মৈমনসিংহ গীতিকা’ বাংলা লোকসাহিত্যের এক অমূল্য সম্পদ, যা বিশ্বদরবারে বাংলা লোকগীতিকে পরিচিত করেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মহুয়া ব্যাখ্যা: এটি ‘মৈমনসিংহ গীতিকা’র অন্তর্ভুক্ত একটি অতি জনপ্রিয় ও করুণ প্রেমের পালাগান। উদাহরণ ২: মলুয়া ব্যাখ্যা: এটিও ‘মৈমনসিংহ গীতিকা’ সংকলনের একটি বিখ্যাত ট্র্যাজিক পালা যা নারীমুক্তির চেতনা ধারণ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ড. আশরাফ ভট্টাচার্য — এই নামে বাংলা সাহিত্যে কোনো বিখ্যাত সংকলক বা গবেষক নেই। B) ড. আশরায় সিদ্দিকী — এটি একটি বিভ্রান্তিকর ও কাল্পনিক নাম, যা সঠিক সাহিত্যিক তথ্যের সঙ্গে মেলে না। C) ড. দীনেশচন্দ্র সেন — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনের তথ্য সম্পূর্ণ নির্ভুল ও প্রাসঙ্গিক। D) ড. গোরাম সাকলায়েন — ড. গোলাম সাকলায়েন একজন প্রখ্যাত গবেষক হলেও তিনি মৈমনসিংহ গীতিকা সংগ্রহ করেননি। ৫. মনে রাখার টিপস: - মৈমনসিংহ গীতিকা সংগ্রহ ও সম্পাদনা করেছেন দীনেশচন্দ্র সেন, যার নামের আদ্যক্ষর দিয়ে ডি. সি. সেন বা দীনেশচন্দ্র মনে রাখা সহজ। - লোকসাহিত্য মানেই দীনেশচন্দ্র সেন এই সূত্রটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই কাজে লাগে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - মৈমনসিংহ গীতিকা প্রকাশিত হয় ১৯২৩ সালে এবং এটি ইংরেজি ভাষায় অনুবাদ করেন জেমস ডিউরাস ডেসকট। - লোকসাহিত্য বা প্রাচীন ও মধ্যযুগীয় সাহিত্যের প্রশ্ন এলেই সংকলক বা সম্পাদকের নাম ভালোভাবে খেয়াল করতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0